
কলকাতা : ইংল্যান্ড সফর শেষ হতেই ভারতের ক্রিকেটে নতুন করে সামনে এসেছে চোটের সমস্যা। একের পর এক ক্রিকেটার হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ায় উদ্বেগ বেড়েছে ভারতীয় ম্যানেজমেন্টের। ভারতের ওয়ান ডে অধিনায়ক শুভমান গিলও প্রকাশ্যে এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিসিসিআইয়ের এক সূত্রের দাবি, বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্স, টিম ম্যানেজমেন্ট ও ক্রিকেটারদের মধ্যে ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড নিয়ে ঠিকমতো যোগাযোগ হচ্ছে না। গত বছর থেকে এই সমস্যা আরও বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের কথায়, সাম্প্রতিক সময় এত হ্যামস্ট্রিং চোট প্রমাণ করছে যে কয়েকজিন ক্রিকেটার সম্পূর্ণ সুস্থ না হয়েই মাঠে নেমেছেন। অথচ তাঁদের ফিটনেস নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট ও CoE-র মধ্যে স্পষ্ট কথাবার্তা হওয়া উচিত ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নীতিন প্যাটেল দায়িত্ব ছাড়ার পর আর CoE-তে কোনো মেডিক্যাল প্রধান নিয়োগ করা হয়নি। ২০২৩ সালে তৈরি হওয়া ফিটনেস সংক্রান্ত নিয়মও এখনও মানা শুরু করা হয়নি। ওয়াশিংটন সুন্দর, হর্ষিত রানা ও নীতিশ রেড্ডি – এই তিন ক্রিকেটার বারবার চোটের সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে নীতিশ রেড্ডি নিজের বোলিংয়ের গতি বাড়ানোর জন্য ইংল্যান্ডের বোলিং কোচ স্টেফান জোনসের সঙ্গে কাজ করেছেন। তবে সূত্রের দাবি, রেড্ডি প্রতিবারই আরও জোরে বল করছেন, যার ফলে তাঁর চোট পাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। হর্ষিত রানাকে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সূত্রের দাবি, হাঁটুর চোটের পর তিনি আগের মতো পুরোপুরি ফিট না হলেও তাঁকে দলে নেওয়া হচ্ছিল। এমনকি এও জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপে যোগ দেওয়ার জন্য চোট সারার আগেই ডেকে নেওয়া হয়েছিল ওয়াশিংটন সুন্দরকে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় দলের সঙ্গে কোনও সফর না থাকলে অনেক ক্রিকেটারের সঙ্গেই বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল টিমের নিয়মিত যোগাযোগ থাকে না। এখন খুব কম ক্রিকেটারই তিন ফরম্যাট খেলেন। তাই আন্তর্জাতিক সিরিজের ফাঁকে অনেকেই বিশ্রাম পান। কিন্তু সেই সময় তাঁদের ফিটনেসের দায়িত্বে একপ্রকার তাঁরা নিজেরাই থাকেন। এই কারণেই ভবিষ্যতে আরও ভাল কমিউনিকেশন প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।