AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Food Safety: হেলথ ড্রিঙ্কেও ক্ষতিকর রাসায়নিক! কী কী ক্ষতি হতে পারে শিশুর?

Food Safety: হেলথ ড্রিঙ্কেও ক্ষতিকর রাসায়নিক! কী কী ক্ষতি হতে পারে শিশুর?

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: May 31, 2026 | 9:49 PM

Share

রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে বিক্রি হওয়া প্রায় ৮০ শতাংশ প্যাকেটজাত খাবারে কোনও না কোনও ধরনের রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে। তালিকায় রয়েছে চিপস, ফলের রস, হেলথ ড্রিঙ্ক, কেক, লজেন্স, বিস্কুট, কুকিজ, চকোলেট, আইসক্রিম, ফ্রোজেন ফুড এবং দুগ্ধজাত পানীয়। সমীক্ষায় বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে শিশুদের খাবারে ব্যবহৃত কৃত্রিম রং নিয়ে। শিশুদের ব্রেকফাস্ট সিরিয়ালে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণে টারট্রাজিন নামের হলুদ রং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই রাসায়নিক থেকে অ্যালার্জি, ত্বকের সমস্যা এবং শিশুদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া কেক, পেস্ট্রি, চকোলেট, বিভিন্ন পানীয় ও ফ্রোজেন ফুডে ব্যবহৃত এরিথ্রোসিন নামের লাল রং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। কেক, ক্যান্ডি এবং আইসক্রিমে ব্যবহৃত সানসেট ইয়েলো রং অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে কিডনির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্যাকেটজাত খাবারে ব্যবহৃত কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক নিয়ে উদ্বেগ বাড়াল সাম্প্রতিক সমীক্ষা। ICMR এবং NIA-এর যৌথ সমীক্ষায় উঠে এসেছে, দেশের বহু নামী ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত খাবারেও ক্ষতিকর কৃত্রিম রং এবং রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে। সমীক্ষায় দেশের প্রায় ২৫টি ব্র্যান্ডের ২৩ হাজারেরও বেশি প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, বহু ক্ষেত্রে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণে কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি শিশুদের জন্য তৈরি খাবার, লো-ফ্যাট, অর্গ্যানিক এবং ন্যাচারাল লেবেলযুক্ত খাদ্যপণ্যেও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গিয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে বিক্রি হওয়া প্রায় ৮০ শতাংশ প্যাকেটজাত খাবারে কোনও না কোনও ধরনের রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে। তালিকায় রয়েছে চিপস, ফলের রস, হেলথ ড্রিঙ্ক, কেক, লজেন্স, বিস্কুট, কুকিজ, চকোলেট, আইসক্রিম, ফ্রোজেন ফুড এবং দুগ্ধজাত পানীয়। সমীক্ষায় বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে শিশুদের খাবারে ব্যবহৃত কৃত্রিম রং নিয়ে। শিশুদের ব্রেকফাস্ট সিরিয়ালে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণে টারট্রাজিন নামের হলুদ রং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই রাসায়নিক থেকে অ্যালার্জি, ত্বকের সমস্যা এবং শিশুদের মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া কেক, পেস্ট্রি, চকোলেট, বিভিন্ন পানীয় ও ফ্রোজেন ফুডে ব্যবহৃত এরিথ্রোসিন নামের লাল রং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। কেক, ক্যান্ডি এবং আইসক্রিমে ব্যবহৃত সানসেট ইয়েলো রং অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে কিডনির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্যাকেটজাত দুগ্ধজাত পানীয়তেও কৃত্রিম সুগন্ধি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। গবেষকদের মতে, দীর্ঘদিন এই ধরনের রাসায়নিক গ্রহণ করলে স্নায়ুতন্ত্রের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।খাদ্যপণ্যের মোড়কে সাধারণত ইন্টারন্যাশনাল নাম্বারিং সিস্টেম ফর ফুড অ্যাডিটিভস (INS) কোড উল্লেখ থাকে। সেই কোড দেখে খাদ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব। তবে সাধারণ মানুষের পক্ষে এই তথ্য বুঝে ওঠা সবসময় সহজ নয়।

আইসিএমআর আরও জানিয়েছে, বর্তমানে কৃত্রিম রঙের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ অনুমোদিত মাত্রা নির্ধারণ করা থাকলেও শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে একই মাত্রার রাসায়নিকের প্রভাব অনেক বেশি ক্ষতিকর হতে পারে। অথচ বর্তমান নিয়মে এই শ্রেণিভেদ বিবেচনায় রাখা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আইসিএমআরের পরামর্শ, একান্ত প্রয়োজন না হলে প্যাকেটজাত খাবারের উপর নির্ভরতা কমানো উচিত। তার বদলে ঘরে তৈরি তাজা খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে।

Follow Us