AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Humanoid Robot: আমেরিকান আর চিনা রোবটের মধ্যে তফাত কী জানেন?

Humanoid Robot: আমেরিকান আর চিনা রোবটের মধ্যে তফাত কী জানেন?

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: Jun 28, 2026 | 9:49 PM

Share

৫ লক্ষ কোটি ডলারের সম্ভাবনাময় রোবটের বাজার দখলের লড়াইয়ে নেমেছে চিন ও আমেরিকা। এই প্রতিযোগিতা মূলত হিউম্যানয়েড রোবট নিয়ে। অর্থাৎ, দেখতে মানুষের মতো, মানুষের মতো আচরণ করতে পারে, কথা বলতে পারে, গান গাইতে পারে, এমনকি ঘরের কাজও করতে পারে, এমন রোবট তৈরির দৌড় চলছে দুই দেশের মধ্যে।দুই দেশেই বাড়ছে রোবটের চাহিদা। এর অন্যতম কারণ মানুষের হাতে অর্থ থাকলেও বাড়ছে একাকিত্ব। বয়স্ক মানুষের দেখাশোনা থেকে শুরু করে কর্মব্যস্ত পরিবারের ঘরের কাজ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে রোবট। রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের মতো কাজেও ব্যবহার হচ্ছে রোবট।

৫ লক্ষ কোটি ডলারের সম্ভাবনাময় রোবটের বাজার দখলের লড়াইয়ে নেমেছে চিন ও আমেরিকা। এই প্রতিযোগিতা মূলত হিউম্যানয়েড রোবট নিয়ে। অর্থাৎ, দেখতে মানুষের মতো, মানুষের মতো আচরণ করতে পারে, কথা বলতে পারে, গান গাইতে পারে, এমনকি ঘরের কাজও করতে পারে, এমন রোবট তৈরির দৌড় চলছে দুই দেশের মধ্যে।দুই দেশেই বাড়ছে রোবটের চাহিদা। এর অন্যতম কারণ মানুষের হাতে অর্থ থাকলেও বাড়ছে একাকিত্ব। বয়স্ক মানুষের দেখাশোনা থেকে শুরু করে কর্মব্যস্ত পরিবারের ঘরের কাজ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে রোবট। রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের মতো কাজেও ব্যবহার হচ্ছে রোবট।

তবে এই ক্ষেত্রে চিন অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। গোটা দেশেই যেন তৈরি হয়েছে রোবটের ব্যবহারিক বাজার। চিনের বিভিন্ন কারখানায় রোবট ইতিমধ্যেই শ্রমিকের জায়গা দখল করছে। রোবট উৎপাদনের ক্ষেত্রেও আমেরিকাকে অনেক পিছনে ফেলেছে চিন। সেখানে রোবট তৈরি প্রায় কুটির শিল্পের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি রোবটের মধ্যে যুক্ত করার ক্ষেত্রে আমেরিকার দক্ষতা বেশি। জটিল কাজ শেখানোর ক্ষেত্রে আমেরিকার তৈরি রোবট এগিয়ে। অন্যদিকে, চিন বিপুল পরিমাণ তথ্য বা ডেটা সংগ্রহ করে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে। মানুষের কাজের লক্ষ লক্ষ ভিডিও বিশ্লেষণ করে দ্রুত শিখছে চিনা রোবট।

সহজ ভাষায়, অত্যন্ত জটিল প্রযুক্তিগত কাজের ক্ষেত্রে আমেরিকা এগিয়ে থাকলেও দৈনন্দিন জীবনে রোবট ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিনের দখল বেশি। চিনে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ করলেই পাওয়া যাচ্ছে এমন রোবট, যা ঘরের নানা কাজ করতে সক্ষম। উন্নত মডেলের ক্ষেত্রে খরচ হতে পারে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। অনেক সংস্থাই বিনামূল্যে সার্ভিসিং ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিচ্ছে।

রোবট শিল্পের সঙ্গে যুক্ত চিনা প্রযুক্তিবিদদের মতে, এখন তাঁদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল রোবটের ওজন কমানো। যাতে মানুষ সহজে খুলে ব্যাগে ভরে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে পারেন। হালকা রোবট তৈরি করতে পারলে বাজার আরও কয়েক গুণ বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। চিনের রোবট শিল্পের বিস্তার এতটাই দ্রুত হয়েছে যে কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি হয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় সহজেই কেনা যাচ্ছে রোবট। সবজি বা ফলের মতোই বাজারে মিলছে বিভিন্ন ধরনের রোবট।

এই দৌড়ে উল্লেখযোগ্য নাম হংকংয়ে তৈরি হিউম্যানয়েড রোবট Sophia। মানুষের মতো কথা বলা ও অভিব্যক্তি প্রকাশের ক্ষমতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়েছে এই রোবট। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে হিউম্যানয়েড রোবট। আর সেই ভবিষ্যতের বাজার দখলের লড়াই এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছে চিন ও আমেরিকা।

Follow Us