গড়িহাটে ব্রিজের নীচে ‘গরম ভাতের গল্প’ বললেন এক দল তরুণ

এক বেলা গরম ভাত জুটল গড়িয়াহাটের ওভারব্রিজের নিতে থাকা বাসিন্দাদের পাতে।

পেটের টান ছিল আগাগোড়া। লকডাউনের সময়  পেটের টান বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। খিদে মেশানো মুখগুলোর চাহনিতে যদি একবেলা পেটে জোটে ভাত। অভাবের দিনযাপন তার উপর লকডাউন। তাঁরা ভোট দিয়েছেন, রয়েছে ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ডও। কিন্তু সরকার কিছুই করেনি ওঁদের জন্য। নিজেরাই বলছেন সে কথা। পুলিশ এসে তাড়িয়ে দিয়েছে বহুবার। দৈনদশা এবং তাঁদের না খেতে পাওয়া চাহনিতে সাড়া দিতে দল বাঁধল কিছু তরুণ। কেউ ফোটোগ্রাফার তো কেউ ছাত্র কিংবা কেউ কর্পোরেটে করছেন চাকরি। একজোট হয়ে এই মানুষগুলোর মুখে ভাত জোগাতে সামনে এগিয়ে এল তাঁরা। নিজেদেরকে মনে করেন মানুষ! তা-ই এই উদ্যোগ। আর যখন না খেতে পাওয়া মানুষগুলো বলেন তাঁরা ঈশ্বর! তাঁরা বলেন তাঁরা মানুষ, এবং এটাই যথেষ্ট। এক বেলা গরম ভাত জুটল গড়িয়াহাটের ওভারব্রিজের নীচে থাকা বাসিন্দাদের পাতে। শুধু গড়িয়াহাট নয় ফালকাটাতেও শুরু হয়েছে মানুষের পাতে ভাত তুলে দেওয়ার মহৎ উদ্যোগ। তরুণ-তরুণীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলার বহু সেলিব্রিটিও। ‘গরম ভাতের গল্প’-র  গল্পকারদের সঙ্গে TV9 বাংলার প্রতিনিধি শুভঙ্কর চক্রবর্তী। ক্যামেরা সহযোগিতায় নন্দন পাল।