মুকুলের দেহ নিয়ে কী হয়েছিল সেদিন? বিস্ফোরক পুত্র শুভ্রাংশু
তাঁর বাবার মৃতদেহ হাইজ্যাক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়। টিভি৯ বাংলাকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে তিনি বললেন, অভিষেকের জন্য তাঁর বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসতে পারেননি অনেকে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভ্রাংশু। বললেন, মুকুল রায়ের মৃত্যুর পর মমতা খোঁজও নেননি। টিভি৯ বাংলাকে শুভ্রাংশু বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাঝরাতে খবর জানিয়েছিলাম। কোনও উত্তর পাইনি। এরপর আমার এক পরিচিত এবং বাবার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির কাছ থেকে শুভেন্দুদা (শুভেন্দু অধিকারী) খোঁজ নেন। আমার ফোন নম্বর নেন। সকালে আমাকে ফোন করেছিলেন। হঠাৎ সকাল আটটা-সাড়ে আটটা নাগাদ অভিষেকবাবুর পিএ সুমিত রায় ফোন করে বলেন, ‘সমস্ত দায়িত্ব দাদা নিতে বলেছেন। তুমি হাসপাতালে যাও। সেখানে পার্থদা (পার্থ ভৌমিক) ও সুজিত বসু থাকবে।’ হাসপাতালে যাই। তখন বাবার কাছেও যেতে দেওয়া হয়নি। বাবার মৃতদেহ তখন একটা জায়গায় রাখা রয়েছে। সুজিত বসু ১১টা নাগাদ আসে। বলে, মৃতদেহ বিধানসভায় নিয়ে যাব। বিধানসভায় অভিষেক আসে। সেখানে কার সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানি না। তারপর বলে, আমিও যাব কাঁচরাপাড়ায়।”
তাঁর বাবার মৃতদেহ হাইজ্যাক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়। টিভি৯ বাংলাকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে তিনি বললেন, অভিষেকের জন্য তাঁর বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসতে পারেননি অনেকে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভ্রাংশু। বললেন, মুকুল রায়ের মৃত্যুর পর মমতা খোঁজও নেননি।
টিভি৯ বাংলাকে শুভ্রাংশু বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাঝরাতে খবর জানিয়েছিলাম। কোনও উত্তর পাইনি। এরপর আমার এক পরিচিত এবং বাবার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির কাছ থেকে শুভেন্দুদা (শুভেন্দু অধিকারী) খোঁজ নেন। আমার ফোন নম্বর নেন। সকালে আমাকে ফোন করেছিলেন। হঠাৎ সকাল আটটা-সাড়ে আটটা নাগাদ অভিষেকবাবুর পিএ সুমিত রায় ফোন করে বলেন, ‘সমস্ত দায়িত্ব দাদা নিতে বলেছেন। তুমি হাসপাতালে যাও। সেখানে পার্থদা (পার্থ ভৌমিক) ও সুজিত বসু থাকবে।’ হাসপাতালে যাই। তখন বাবার কাছেও যেতে দেওয়া হয়নি। বাবার মৃতদেহ তখন একটা জায়গায় রাখা রয়েছে। সুজিত বসু ১১টা নাগাদ আসে। বলে, মৃতদেহ বিধানসভায় নিয়ে যাব। বিধানসভায় অভিষেক আসে। সেখানে কার সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানি না। তারপর বলে, আমিও যাব কাঁচরাপাড়ায়।”
