‘ছেলের বিয়ে দিতে পারিনি’, তৃণমূল প্রার্থীকে সামনে পেয়েই ক্ষোভ উগরে দিলেন মহিলা

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 25, 2026 | 3:35 PM

ভোট প্রচারে বেরিয়ে একের পর এক গ্রামবাসীর কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়েন আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। তাঁকে সামনে পেয়ে মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামসা, আমরেল-সহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ক্ষোভ, অভিমান উগরে দিলেন। একজন চাষির স্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, "একমুঠো ভাতের তরে ছেলের বিয়ে দিতে পারিনি। ছেলে মাস্টার্স ডিগ্রি করেছে। আমার ছেলে ভিখারির মতো ঘুরে বেড়াচ্ছ। আমার ছেলেকে যে চাকরি দেবে, তাকেই ভোট দেব।" তিনি আরও বলেন, তাঁর স্বামী দিনরাত মাঠে খেটে সংসার চালান। সেই কষ্টের টাকায় ছেলেকে মাস্টার্স ডিগ্রি পর্যন্ত পড়াশোনা করিয়েছেন। এমনকি তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ট্রেনিংও করিয়েছেন। তা শুনে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, "কর্মসংস্থান হচ্ছে। সেটা একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই করছেন। আস্তে আস্তে সব হবে।" তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়ে সেখান থেকে এগিয়ে যান মিতা বাগ। 

ভোট প্রচারে বেরিয়ে একের পর এক গ্রামবাসীর কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়েন আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। তাঁকে সামনে পেয়ে মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামসা, আমরেল-সহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ ক্ষোভ, অভিমান উগরে দিলেন। একজন চাষির স্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, “একমুঠো ভাতের তরে ছেলের বিয়ে দিতে পারিনি। ছেলে মাস্টার্স ডিগ্রি করেছে। আমার ছেলে ভিখারির মতো ঘুরে বেড়াচ্ছ। আমার ছেলেকে যে চাকরি দেবে, তাকেই ভোট দেব।” তিনি আরও বলেন, তাঁর স্বামী দিনরাত মাঠে খেটে সংসার চালান। সেই কষ্টের টাকায় ছেলেকে মাস্টার্স ডিগ্রি পর্যন্ত পড়াশোনা করিয়েছেন। এমনকি তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ট্রেনিংও করিয়েছেন। তা শুনে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “কর্মসংস্থান হচ্ছে। সেটা একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই করছেন। আস্তে আস্তে সব হবে।” তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়ে সেখান থেকে এগিয়ে যান মিতা বাগ।

Follow Us