AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Pakistan: চিনের ভ্যাকসিন কিনে 'ঠকে গেল' পাকিস্তান! কেন?

Pakistan: চিনের ভ্যাকসিন কিনে ‘ঠকে গেল’ পাকিস্তান! কেন?

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: Feb 21, 2026 | 9:58 PM

Share

অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত থেকে ভ্যাকসিন আমদানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। ভারত কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাকসিন রফতানি বন্ধের কথা না বললেও, শাহবাজ শরিফ নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান সরকার একতরফাভাবে ভারতের কাছে দেওয়া সব অর্ডার বাতিল করে দেয়। সেই সময় প্রায় ১২ লক্ষ ভ্যাকসিন সরবরাহের বরাত ছিল। পাকিস্তান অর্ডার বাতিল করলেও ভারতের তাতে কোনও সমস্যা হয়নি। আফ্রিকার ছ’টি দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য সেই স্টক কিনে নেয় ওয়ার্ল্ড ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স গ্রুপ GAVI।

অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত থেকে ভ্যাকসিন আমদানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। ভারত কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাকসিন রফতানি বন্ধের কথা না বললেও, শাহবাজ শরিফ নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান সরকার একতরফাভাবে ভারতের কাছে দেওয়া সব অর্ডার বাতিল করে দেয়। সেই সময় প্রায় ১২ লক্ষ ভ্যাকসিন সরবরাহের বরাত ছিল। পাকিস্তান অর্ডার বাতিল করলেও ভারতের তাতে কোনও সমস্যা হয়নি। আফ্রিকার ছ’টি দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য সেই স্টক কিনে নেয় ওয়ার্ল্ড ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স গ্রুপ GAVI।

অন্যদিকে, ভারত থেকে ভ্যাকসিন আসা বন্ধ হওয়ায় সমস্যায় পড়ে পাকিস্তান। এতদিন ভারত থেকেই মূলত শিশুদের জন্য পোলিও, হেপাটাইটিস বি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো গুরুত্বপূর্ণ ভ্যাকসিন আমদানি করত তারা। এই সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পর পাকিস্তানে শিশুমৃত্যুর হার আচমকাই বেড়ে যায় বলে বিভিন্ন মহলে দাবি ওঠে। সরকারি অবস্থান বজায় রাখতে গিয়ে পাকিস্তান ঘোষণা করে, ভারত থেকে একটি সুচও দেশে ঢুকবে না, ওষুধ বা ভ্যাকসিনও নয়। ফলে বেশি দাম দিয়ে চিনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন আমদানি শুরু হয়।

নতুন বছরের শুরুতে ঘটনায় আসে বড় মোড়। পাকিস্তান প্রশাসনের নজরে আসে, গত কয়েক মাস ধরে চিনা সংস্থাগুলি তাদের কাছ থেকে বিপুল অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে। তদন্তে জানা যায়, ওই চিনা সংস্থাগুলি আসলে ভারত থেকে ভ্যাকসিন কিনে নতুন মোড়কে পাকিস্তানের কাছে বিক্রি করেছে। দাম পড়েছে প্রায় আড়াই গুণ বেশি। ভ্যাকসিনের গুণমান পরীক্ষা করতে গিয়ে বিষয়টি প্রথমে ধরা পড়ে পাকিস্তানের সেন্ট্রাল ড্রাগ অথরিটির কাছে। তবে তখনই বিষয়টি চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়। পরে পাকিস্তান ড্রাগ অথরিটির এক কর্তার স্ত্রী ইউটিউবে তথ্য ফাঁস করে দিলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

পাক মিডিয়ার হিসাব অনুযায়ী, গত পাঁচ মাসে চিনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন আমদানির ফলে পাকিস্তানের অন্তত ২০০ কোটি টাকা বাড়তি খরচ হয়েছে। এখন বরাদ্দ শেষ হয়ে যাওয়ায় ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে নতুন করে ভ্যাকসিন আমদানির মতো অর্থও নেই। নতুন কোনও বরাতও দেওয়া যায়নি।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শি জিনপিং প্রশাসন দায় ঝেড়ে ফেলে। চিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, এই ভ্যাকসিন চুক্তির সঙ্গে চিনা সরকার কোনওভাবেই জড়িত নয়। পাকিস্তান সরকার চিনের একটি বেসরকারি এজেন্সির সঙ্গে চুক্তি করেছিল। পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যুক্তি আরও চমকপ্রদ। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তান সরাসরি ভারত বা চিন, কারও কাছ থেকেই ভ্যাকসিন কেনেনি। চিন কোথা থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছে, তা জানা তাদের দায়িত্ব নয়। ভারতের কাছ থেকে ভ্যাকসিন না নেওয়ার যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সরকার সেই সিদ্ধান্তেই অনড় থেকেছে।

Published on: Feb 21, 2026 09:57 PM