নামের মাঝে ‘কুমার’ নিয়েও সমস্যা? ভর্ৎসনা বিচারপতি বাগচীর
এই মামলার শুনানিতে এআই ব্যবহার নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাস্তব পরিস্থিতি বিচার না করে যন্ত্রের উপর ভরসা করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, আর তাতেই মানুষকে হয়রান হতে হচ্ছে। নামের মাঝে কুমার থাকলেও নোটিস যাচ্ছে, এমনটাও উল্লেখ করেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।
এসআইআর মামলায় সোমবার একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে ৮৫০৫ জন অফিসারের তথ্য দিতে হবে কমিশনকে। সেই সঙ্গে ইআরও-যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত মতামত দেবেন, সেকথাও স্পষ্ট করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর-এর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, এমন কোনও কাজ বরদাস্ত করা হবে না।
এই মামলার শুনানিতে এআই ব্যবহার নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাস্তব পরিস্থিতি বিচার না করে যন্ত্রের উপর ভরসা করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, আর তাতেই মানুষকে হয়রান হতে হচ্ছে। নামের মাঝে কুমার থাকলেও নোটিস যাচ্ছে, এমনটাও উল্লেখ করেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।

