AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

বাবরের নামে মসজিদ তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা জারি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

বাবরের নামে মসজিদ তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা জারি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

TV9 Bangla Digital

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Updated on: Feb 20, 2026 | 6:09 PM

Share

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরি করছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় একটি জনস্বার্থ মামলা। বাবরের নামে কোনও মসজিদ বা স্থাপত্যনির্মাণে যেন অনুমতি না-দেওয়া হয়, এই নির্দেশ জারির জন্য শীর্ষ আদালতে আবেদন জানানো হয়। বাবরের নামের পাশাপাশি, বাবরি মসজিদের নামও যাতে পুনরায় ব্যবহার করতে না-দেওয়া হয়, সেই আবেদনও জানান হয়েছিল সংশ্লিষ্ট মামলায়। কিন্তু শুক্রবার এই আবেদন শুনতে রাজি হল না শীর্ষ আদালত। এজলাসে মামলাকারীর আইনজীবী মোঘল সম্রাট বাবরকে ‘সাম্রাজবাদী’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর যুক্তি, দেশের অন্দরে বাবরের নামে নতুন করে কোনও মসজিদ বা স্থাপত্যনির্মাণ করা উচিত নয়। এমনকি, বাবর যেহেতু হিন্দুদের দাসে পরিণত করেছিলেন, তাই তাঁকে নতুন করে সম্মান প্রদানের কোনও জায়গা নেই বলেই দুই বিচারপতির বেঞ্চকে জানান সওয়ালকারী। তবে এই যুক্তি শোনার পরেও কোনও বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ। মামলা গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত। তখন নিজে থেকেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন আইনজীবী।

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরি করছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় একটি জনস্বার্থ মামলা। বাবরের নামে কোনও মসজিদ বা স্থাপত্যনির্মাণে যেন অনুমতি না-দেওয়া হয়, এই নির্দেশ জারির জন্য শীর্ষ আদালতে আবেদন জানানো হয়। বাবরের নামের পাশাপাশি, বাবরি মসজিদের নামও যাতে পুনরায় ব্যবহার করতে না-দেওয়া হয়, সেই আবেদনও জানান হয়েছিল সংশ্লিষ্ট মামলায়। কিন্তু শুক্রবার এই আবেদন শুনতে রাজি হল না শীর্ষ আদালত। এজলাসে মামলাকারীর আইনজীবী মোঘল সম্রাট বাবরকে ‘সাম্রাজবাদী’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর যুক্তি, দেশের অন্দরে বাবরের নামে নতুন করে কোনও মসজিদ বা স্থাপত্যনির্মাণ করা উচিত নয়। এমনকি, বাবর যেহেতু হিন্দুদের দাসে পরিণত করেছিলেন, তাই তাঁকে নতুন করে সম্মান প্রদানের কোনও জায়গা নেই বলেই দুই বিচারপতির বেঞ্চকে জানান সওয়ালকারী। তবে এই যুক্তি শোনার পরেও কোনও বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ। মামলা গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত। তখন নিজে থেকেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন আইনজীবী।