AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Iran-US War: যুদ্ধ চালাতে আরও ১৮ লক্ষ কোটি টাকা  দরকার ট্রাম্পের!

Iran-US War: যুদ্ধ চালাতে আরও ১৮ লক্ষ কোটি টাকা দরকার ট্রাম্পের!

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: Apr 02, 2026 | 8:55 PM

Share

ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। সামরিক সংঘর্ষ, কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং রাজনৈতিক জল্পনা, সব মিলিয়ে যুদ্ধ থামার কোনও স্পষ্ট লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমেরিকা আপাতত সরাসরি নীরব থাকলেও, ইজরায়েল ও ইরান একে অপরের দিকে ধারাবাহিকভাবে মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘর্ষ শুরুর পর এই প্রথম একই দিনে পাঁচবার ইজরায়েলের তেল আভিভে আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল।

ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। সামরিক সংঘর্ষ, কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং রাজনৈতিক জল্পনা, সব মিলিয়ে যুদ্ধ থামার কোনও স্পষ্ট লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আমেরিকা আপাতত সরাসরি নীরব থাকলেও, ইজরায়েল ও ইরান একে অপরের দিকে ধারাবাহিকভাবে মিসাইল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘর্ষ শুরুর পর এই প্রথম একই দিনে পাঁচবার ইজরায়েলের তেল আভিভে আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল।

এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আপাতত পাঁচ দিন ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে হামলা হবে না। কিন্তু ইরানের অভিযোগ, সোমবার রাতে ইসফাহানের একটি পাওয়ার প্ল্যান্টে হামলা হয়েছে। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) পরে সেই হামলার দায় স্বীকার করে। ফলে এই ঘোষণার বাস্তবতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যুদ্ধ ব্যয়ের প্রশ্নেও মার্কিন প্রশাসনের ভিতরে চাপ তৈরি হয়েছে। ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে অতিরিক্ত ২০০ বিলিয়ন ডলারের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বিপুল অর্থের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মার্কিন সেনেট। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, কেন এত অর্থ দরকার, তার ব্যাখ্যা দিতে হবে প্রেসিডেন্ট বা প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষকে। সাধারণত যুদ্ধের সময় এমন প্রশ্ন কম ওঠে, ফলে বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

এদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাঠামোতেও পরিবর্তন এসেছে। নতুন সিকিউরিটি চিফ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাঘেল জোলঘাদের, যিনি কট্টর ইজরায়েল-বিরোধী বলে পরিচিত। জানা গেছে, তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছেন মোজতাবা খামেনেই। তিনি আলি লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। তবে মোজতাবা খামেনেইয়ের অবস্থান নিয়ে জল্পনা চলছে। সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার দাবি, তিনি বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং মার্কিন নজরদারিতে রয়েছেন। অন্যদিকে কূটনৈতিক স্তরে নতুন মোড়ের ইঙ্গিতও মিলছে। ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রকের এক কর্তা ‘টাইমস অফ ইজরায়েল’-কে জানিয়েছেন, একটি সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া তাদের হাতে এসেছে এবং তা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যদিও ইরান এই চুক্তিতে রাজি হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যেই সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে পড়তে শুরু করেছে। গত কয়েকদিনে দুই পক্ষের হামলায় ৬-৭টি শহর প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বাড়তে শুরু করেছে। মার্কিন প্রশাসনের অন্দরে নতুন জল্পনাও তৈরি হয়েছে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইরান যুদ্ধে প্রত্যাশিত ফল না আসায় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথকে সরানো হতে পারে। যদিও ট্রাম্প প্রকাশ্যে মন্তব্য করে ইঙ্গিত দিয়েছেন, আপাতত এমন কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঘটনায় চমক তৈরি হয়েছে। লেবানন ঘোষণা করেছে, তারা ইরানের সঙ্গে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করছে। লেবাননের অভিযোগ, ইরান হিজবুল্লাকে মদত দিয়েছে, এমন প্রমাণ তাদের হাতে এসেছে। যদিও আন্তর্জাতিক মহলের মতে, হিজবুল্লা ও ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বহুদিনের এবং তা সুপরিচিত।

সব মিলিয়ে, সামরিক সংঘর্ষের পাশাপাশি কূটনৈতিক অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত, এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত মিলছে না।

Follow Us