AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Khamenei's Assassination: ঘর শত্রু বিভীষণের জন্যই মারা পড়লেন খামেনেই?

Khamenei’s Assassination: ঘর শত্রু বিভীষণের জন্যই মারা পড়লেন খামেনেই?

TV9 Bangla Digital

| Edited By: Purvi Ghosh

Updated on: Mar 07, 2026 | 9:30 PM

Share

ইরান–আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘাতের আবহেই বড়সড় নিরাপত্তা বিপর্যয়ের অভিযোগ উঠল তেহরানে। হামলায় নিহত হলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই সময় তিনি নিজের অফিসে কাজ করছিলেন। হামলায় খামেনেইয়ের সঙ্গে তাঁর মেয়ে, বৌমা, নাতনি এবং পরিবারের আরও পাঁচ থেকে ছয়জন সদস্যেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই সামনে আসছে একের পর এক প্রশ্ন। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের সর্বোচ্চ নেতাকে কীভাবে এমন ঝুঁকির মধ্যে রাখা হল? কেন তাঁকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়নি? ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।সূত্রের খবর, সংঘাতের সময় খামেনেইকে সুরক্ষিত স্থানে সরানোর কোনও উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে বোঝানো হয়েছিল, তিনি যেখানে আছেন সেখানেই থাকাই বেশি নিরাপদ। স্থান পরিবর্তন করলে বরং তাঁর অবস্থান শত্রুপক্ষ ট্র্যাক করে ফেলতে পারে, এই যুক্তিই দেওয়া হয়েছিল।

ইরান–আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘাতের আবহেই বড়সড় নিরাপত্তা বিপর্যয়ের অভিযোগ উঠল তেহরানে। হামলায় নিহত হলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই সময় তিনি নিজের অফিসে কাজ করছিলেন। হামলায় খামেনেইয়ের সঙ্গে তাঁর মেয়ে, বৌমা, নাতনি এবং পরিবারের আরও পাঁচ থেকে ছয়জন সদস্যেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার পরই সামনে আসছে একের পর এক প্রশ্ন। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের সর্বোচ্চ নেতাকে কীভাবে এমন ঝুঁকির মধ্যে রাখা হল? কেন তাঁকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়নি? ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।সূত্রের খবর, সংঘাতের সময় খামেনেইকে সুরক্ষিত স্থানে সরানোর কোনও উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে বোঝানো হয়েছিল, তিনি যেখানে আছেন সেখানেই থাকাই বেশি নিরাপদ। স্থান পরিবর্তন করলে বরং তাঁর অবস্থান শত্রুপক্ষ ট্র্যাক করে ফেলতে পারে, এই যুক্তিই দেওয়া হয়েছিল।

খামেনেইয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল রেভলিউশনারি গার্ড আর্মস তিনজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছিল। তাঁদের নির্দেশ ছিল, খামেনেইয়ের জন্য অন্তত ৮ থেকে ১০ জন নতুন বডি ডবল জোগাড় করতে হবে। পুরনো বডি ডবলদের ব্যবহার না করারই নির্দেশ ছিল, কারণ তাঁদের পরিচয় ও নড়াচড়ার খুঁটিনাটি ইতিমধ্যেই শত্রুপক্ষের হাতে পৌঁছে গিয়েছে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল।গত বছর জুনে ইজরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই খামেনেইয়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। সেই সময় পুরনোদের বদলে নতুন বডি ডবলদের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তবে হামলা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই খামেনেইকে বাঙ্কারে সরিয়ে নেওয়ার সুপারিশ করেছিল ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড। কিন্তু সেই সুপারিশ গুরুত্ব দেননি গার্ড আর্মসের শীর্ষকর্তারা।

ঘটনার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও সামনে এসেছে। শনিবার সকালে খামেনেইয়ের বাড়িতে কোনও বৈঠক হওয়ার কথা ছিল না। বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল তেহরান থেকে অনেক দূরে লাজফ নামের একটি এলাকায়। ওই এলাকায় ইরানের এয়ার ডিফেন্স অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সেখানে দেশের বড় মিসাইল ভান্ডারও রয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলে বৈঠকটি খামেনেইয়ের বাড়িতেই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরপর এই একাধিক সিদ্ধান্তকে ঘিরেই উঠছে প্রশ্ন। অনেকের মতে, যেন শত্রুপক্ষকে সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, ভিতর থেকেই তথ্য ফাঁস না হলে এত নির্ভুল হামলা সম্ভব ছিল না। সেই কারণেই সন্দেহের তির এখন ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের দিকেই ঘুরছে।