Bankura Double Murder: স্ত্রীর মুণ্ড মন্দিরে, গলা কেটে বাবাকেও খুনের অভিযোগ, হাড়হিম ঘটনা বাঁকুড়ায়

Sonamukhi Double Murder Incident: এমন নৃশংস ঘটনা চোখে পড়তেই তড়িঘড়ি সোনামুখী থানায় খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে। পাশাপাশি অভিযুক্ত মঙ্গল চৌধুরীকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তান্ত্রিক ক্রিয়াকলাপের কারণেই ঠান্ডা মাথায় প্রথমে স্ত্রী রূম্পা চৌধুরী ও পরে বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরীর গলা কেটে খুন করেছে মঙ্গল চৌধুরী।

Bankura Double Murder: স্ত্রীর মুণ্ড মন্দিরে, গলা কেটে বাবাকেও খুনের অভিযোগ, হাড়হিম ঘটনা বাঁকুড়ায়
স্ত্রী ও বাবাকে খুনের অভিযোগ ব্যক্তির বিরুদ্ধেImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Oct 20, 2026 | 11:49 AM

বাঁকুড়া: অন্ধবিশ্বাসের বশে স্ত্রী ও বাবাকে গলা কেটে খুনের অভিযোগ। শুধু তাই নয়, স্ত্রীর মুণ্ড ধড় থেকে আলাদা করে নিয়ে গিয়ে রাখা হল মন্দিরে। হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার সোনামুখী থানা এলাকার লালবাবা মানাচর এলাকায়। পুলিশ দুটি দেহই উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। প্রাথমিকভাবে অনুমান তান্ত্রিকের প্ররোচনাতেই এমন কাণ্ড নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার একেবারে সীমানাবর্তী দামোদর নদের চরে রয়েছে লালবাবা মানাচর গ্রাম। সেই গ্রামেরই বাসিন্দা মঙ্গল চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী রূম্পা চৌধুরী প্রায়শই স্থানীয় একটি মন্দিরে বসে পুজো অর্চনা করতেন। মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসা যাওয়া করত এক তান্ত্রিকও। গতকাল রাতে আচমকাই সেই মন্দিরে রূম্পা চৌধুরীর কাটা মুণ্ড দেখে শিউরে ওঠেন এলাকাবাসী। এরপরই মঙ্গল চৌধুরীর বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরীর গলা কাটা দেহও দেখতে পান এলাকাবাসী।

এমন নৃশংস ঘটনা চোখে পড়তেই তড়িঘড়ি সোনামুখী থানায় খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে। পাশাপাশি অভিযুক্ত মঙ্গল চৌধুরীকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তান্ত্রিক ক্রিয়াকলাপের কারণেই ঠান্ডা মাথায় প্রথমে স্ত্রী রূম্পা চৌধুরী ও পরে বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরীর গলা কেটে খুন করেছে মঙ্গল চৌধুরী। ধৃতের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে এলাকাবাসী।

দয়াল পাত্র নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “মন্দিরে মুণ্ড রাখা ছিল। আমাদের গ্রামে এরকম আগে কোনও দিন ঘটেনি। এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। হাতে অস্ত্র নিয়ে ছিল মঙ্গল। সবাইকে তাড়া করছিল। বলছিল, সবাইকে মেরে ফেলব। ওদের ঘরে কী হত জানি না। তবে বাইরের কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত না। স্বামী-স্ত্রী খুব পূজা-অর্চনা করত।” অভিযুক্তের ভাই রামলক্ষণ চৌধুরী বলেন, “তান্ত্রিক ভিক্ষে চাইতে আসত। ঘরে কী হত জানি না। চার-পাঁচ বছর ধরে পুজো করে। আমাকেও দাদা অস্ত্র নিয়ে মারতে এসেছিল।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us