AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bankura: ফের ঝাড়ফুঁকের বলি, জলাতঙ্কে মৃত্যু কিশোরের

Bankura: স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঁকুড়ার জয়পুর থানার ডাঙ্গরপাড়া গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ঋজু লোহার। মাস তিনেক আগে বাড়ি থেকে হেঁটে স্কুলে যাওয়ার পথে কুকুরের কামড় খায়। বিষয়টি বাড়িতে জানালে পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী বেলিয়াড়া গ্রামের এক ওঝার কাছে।

Bankura: ফের ঝাড়ফুঁকের বলি, জলাতঙ্কে মৃত্যু কিশোরের
ফের ঝাড়ফুঁকের বলি, জলাতঙ্কে মৃত্যু কিশোরেরImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 13, 2025 | 4:38 PM
Share

বাঁকুড়া: ফের কুসংস্কার আর অন্ধ বিশ্বাসের বলি হল এক কিশোর। মাস তিনেক আগে কুকুরে কামড় দিয়েছিল। হাসপাতালে না গিয়ে ওঝার ঝাড়ফুঁকেই ভরসা রেখেছিলেন পরিবারের লোকজন। শেষ পর্যন্ত জলাতঙ্কে ভুগে মৃত্যু হল কিশোরের। ঘটনা বাঁকুড়ার জয়পুর থানার ডাঙ্গরপাড়া গ্রামের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঁকুড়ার জয়পুর থানার ডাঙ্গরপাড়া গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ঋজু লোহার। মাস তিনেক আগে বাড়ি থেকে হেঁটে স্কুলে যাওয়ার পথে কুকুরের কামড় খায়। বিষয়টি বাড়িতে জানালে পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী বেলিয়াড়া গ্রামের এক ওঝার কাছে। ওঝা কিশোরকে মন্ত্রপূত জলপোড়া খাইয়ে ছেড়ে দেয়। কিশোরকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতেও ওঝা নিষেধ করে বলে অভিযোগ। ওঝার কথামতো কিশোরকে চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে গিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন।

মঙ্গলবার আচমকাই বাড়িতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে কিশোর। শুরু হয় খিঁচুনি ও অন্যান্য উপসর্গ। দ্রুত কিশোরকে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন ওই কিশোর জলাতঙ্কে আক্রান্ত। এরপর কিশোরকে কলকাতায় রেফার করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার আগেই বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় কিশোরের।

এই মৃত্যুর জন্য পুরোপুরি পরিবারের অসচেনতাকেই দায়ি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিবারের দাবি, ওঝার উপর অন্ধবিশ্বাসের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটল। বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদি সংগঠনের কর্মী সৌম্য সেনগুপ্ত বক্তব্য, “ঝাড়ফুঁক, মন্ত্রতন্ত্র করে রোগ নিরাময় করা বেআইনি। এই ধরনের ওঝাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনা গড়ে তোলার প্রয়োজন।”

Follow Us