
বোলপুর: বাইকে করে এসে বিজেপির বুথ সভাপতিকে কাছ থেকে গুলি করে খুন। শোরগোল বীরভূমের বোলপুরে। মৃতের নাম চন্দন ভোলা। তিনি বোলপুরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। রবিবার রাতে বিজেপি নেতার খুন ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। বিজেপি নেতাকে গুলি করার পর হামলাকারীরা বাইকে করে পালায়। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
বোলপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিশুলাপট্টির মিলপট্টি এলাকায় এদিন রাতে ওই বিজেপি নেতার উপর হামলা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাইকে করে দু’জন আসে। রাতের অন্ধকারে বিজেপির ওই বুথ সভাপতিকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। লুটিয়ে পড়েন চন্দন ভোলা। আশপাশের বাসিন্দারা কিছু বোঝার আগেই বাইকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
বোলপুর শহরের জনবহুল এলাকায় এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, কী কারণে তাঁকে গুলি করা হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। ঘটনার খবর পেয়ে বোলপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
রাজ্যে এই মুহূর্তে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। এদিনই কলকাতায় দলের সাংগঠনিক বৈঠকে বাম ও তৃণমূল আমলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর হামলার ঘটনার উল্লেখ করেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “দীর্ঘ লড়াই, সাধনার পর বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। বহু কর্মী বাম জমানায় খুন হয়েছেন। তৃণমূল আমলে আমাদের কয়েকশো কর্মী খুন হয়েছেন। এতগুলো কর্মীর রক্ত ও ত্যাগের উপর দিয়ে হেঁটে এই সরকার তৈরি হয়েছে।” রাজ্যে পরিবর্তনের পরও একাধিক জায়গায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এদিন কারা ওই বিজেপি নেতার উপর হামলা চালাল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।