
কলকাতা : উচ্চমাধ্যমিকের (Higher Secondary Result 2026) কৃতীদের সঙ্গে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। ভিডিয়ো কলে প্রথম স্থানাধিকারী আদৃত পালের (Adrit Pal) সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। কথা হয়েছে রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম ও পঞ্চম স্থানাধিকারী মেঘা মজুমদারের সঙ্গেও। পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য দু’জনকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলেন কৃতিদের বাবা-মায়ের সঙ্গেও। উচ্চ-মাধ্যমিকে প্রথম আদৃত পালের বাবা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোরও অনুরোধ করেছেন।
উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। ভিডিয়ো কলে তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “খুব ভালো রেজাল্ট করেছ। রাজ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছ। আরও বড় হও। রাজ্যের মানুষকে গর্বিত করেছ। ” আগামী কয়েকদিনেই তাঁদের ডেকে পাঠানো হবে ও সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন। আদৃতর বাবার সঙ্গে কথা বলার সময় শুভেন্দুর মুখে টশোনা যায় চরৈবতি চরৈবতি চরৈবতি। অর্থাৎ আরও এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রীকে আদৃত পালের বাবা ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, তিনি জানান, আদৃতের সাফল্যের পিছনে স্কুলের অবদান রয়েছে। আগামী দিনে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হোক, এটাই প্রার্থনা করেছেন তিনি। পরে শিক্ষা ব্যবস্থার হাল ফেরানোর অনুরোধ করেন।
উচ্চ মাধ্যমিকে পঞ্চম মেঘা শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী। তাঁকেও একইভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কৃতিদের সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, “আজ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম ও পঞ্চম স্থানাধিকারী দুই কৃতি ছাত্র ও ছাত্রী; নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল এবং শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী মেঘা মজুমদারের সঙ্গে আজ ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বললাম। ওদের এই অসামান্য সাফল্যে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং একাগ্রতার মাধ্যমে ওরা সমগ্র রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, “উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে চলার জন্য ওদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। আমি আশাবাদী, ভবিষ্যতেও ওরা নিজেদের মেধা ও প্রতিভার মাধ্যমে বাংলা তথা দেশের নাম উজ্জ্বল করবে।”