Congress In Rejinagar and Nandigram: ম্যাজিকের মতো উত্থান, বড় চমক কংগ্রেসের! হাওয়া তৃণমূল

Congress Vote Trends in Nandigram and Rejinagar: হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে মুক্তি পেয়ে ভোটে লড়েছেন মিলন প্রধান। গণনার দিন সকালে তিনি বললেন, “যেখানে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছে, সেখানে কংগ্রেসে ভোট পড়েছে। কার কাছে রিপোল চাইব? যিনি রিপোল করাবেন, তিনিই তো ভোট করাচ্ছেন। নন্দীগ্রামে ঘুরে যা বুঝেছি, সঠিক ভোট হলে ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোটে আমি জিততাম।”

Congress In Rejinagar and Nandigram: ম্যাজিকের মতো উত্থান, বড় চমক কংগ্রেসের! হাওয়া তৃণমূল
নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান ও রেজিনগরের কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল্লাহিল কাফিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 09, 2026 | 10:48 AM

শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী: ব্যালটে গণনা শেষ। এই প্রতিবেদন যখন প্রকাশিত হচ্ছে, তখন দ্বিতীয় রাউন্ডও শেষ। যা ট্রেন্ড, তাতে রেজিনগর-নন্দীগ্রামে কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে। একেবারে পিছিয়ে পড়েছে মমতা ও গণতান্ত্রিক তৃণমূল। নেতৃত্বের মতে, এটা আদতেই ম্যাজিকের মতো উত্থান। তাঁদের মতে, ভোট সঠিকভাবে হলে কংগ্রেসই প্রথম স্থানে আসত। ভোটলুঠের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতারি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। তারপরও কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে।

রেজিনগর, সেখানে তো কংগ্রেসের ঘাঁটিই বলা হত। সেখানে কেন পিছিয়ে পড়তে হল কংগ্রেসকে? দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে রেজিনগরে কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল্লাহিল কাফি পেয়েছেন ৭১০টি ভোট। তাঁর মতে, ভোট লুঠ হয়েছে। আর বাকি যারা নির্বাচনে লড়ছে, তারা তো বিজেপির দালাল। তিনি বললেন, “ভোট যদি ম্যানিপুলেট করে নেওয়া হয়, তাহলে কীভাবে বোঝা যাবে শাসকদলের পক্ষে না বিপক্ষে। সাধারণ মানুষ বিপক্ষে। কারণ ভোট লুঠ করা হয়েছে। কংগ্রেস ছাড়া বিজেপির সঙ্গে লড়াই কে করবে? কংগ্রেস ছাড়া সবাই বিজেপির দালাল। A দালাল, B দালাল, C দালাল। কে কার সঙ্গে কতটা আন্ডার টেবিল অ্যাডজাস্ট করতে পারবে?”

আর এদিকে নন্দীগ্রাম। কার্যত নির্বাচনের দুদিন আগে জামিন পেয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। তাঁর হয়ে প্রচার চালিয়েছিলেন মেয়ে-স্ত্রী। নন্দীগ্রামে সেই মিলন প্রধানও দ্বিতীয় স্থানে।  নন্দীগ্রাম কংগ্রেস নেত্রী বলেন, “দ্বিতীয় স্থানে, এটা পাওনা তো বটেই। তবে কংগ্রেস ছাড়া বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার কে আছে? আজকে যে প্রথম স্থানে উঠে আসছে, তাকে তো এতদিন বিজেমূল বলতাম। সে তো আসলে কংগ্রেসেরই প্রোডাক্ট। রং পাল্টানো গিরগিটিরা। এটা রাবণের লঙ্কায় দাঁড়িয়ে রয়েছি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসেরই প্রথম স্থানে থাকার কথা ছিল। নন্দীগ্রামের নাম ভাঙিয়ে ওঁরা নেতা হয়েছেন। জেলে থেকেও দ্বিতীয় স্থানে। মানুষ এখন বুঝতে পারছে।”

হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে মুক্তি পেয়ে ভোটে লড়েছেন মিলন প্রধান। গণনার দিন সকালে তিনি বললেন, “যেখানে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছে, সেখানে কংগ্রেসে ভোট পড়েছে। কার কাছে রিপোল চাইব? যিনি রিপোল করাবেন, তিনিই তো ভোট করাচ্ছেন। নন্দীগ্রামে ঘুরে যা বুঝেছি, সঠিক ভোট হলে ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোটে আমি জিততাম।”

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “আমরা তো পুনর্নির্বাচন দাবি করেছিলাম। ভোট ভালোভাবে হলে মিলন প্রধান জিততেন।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গ্রেফতারি, জামিন এবং ভোট কারচুপির নানা অভিযোগের মাঝেও রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us