Coochbehar: বোর্ডটাই শুধু লাগানো আছে, ৩০০ একর জমিতে চলছে ভুট্টা চাষ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক শুধুই স্বপ্ন?

Coochbehar: কোচবিহার জেলায় পড়ে থাকা এই জমির কথা আগেই সম্প্রচার করেছিল TV9 বাংলা। মেখলিগঞ্জ বিধানসভার জয়ী সেতু সংলগ্ন তিস্তা নদীর চরে শিল্প তালুকের জন্য ২০২১ সালে ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল রাজ্য সরকার। সেইসময় মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ওই জমিতে ২৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে শিল্প তালুক গড়ে তোলা হবে।

Coochbehar: বোর্ডটাই শুধু লাগানো আছে, ৩০০ একর জমিতে চলছে ভুট্টা চাষ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক শুধুই স্বপ্ন?
পড়ে থাকা জমিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Apr 06, 2026 | 2:31 PM

কোচবিহার: শিল্পের জন্য নেওয়া জমি পড়ে রয়েছে। রবিবার কোচবিহারে গিয়ে সেই জমির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাঁচ বছর আগে ২৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে শিল্প তালুক গড়ার কথা বলেছিল সরকার। সেই জমিতে এখন চলে ভুট্টা চাষ। ৩০০ একর জমিতে কী হবে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় রয়েছে জেলার মানুষ।

রবিবার কোচবিহারের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “৩০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল মেখলিগঞ্জে। বলা হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক হবে। পাঁচ বছরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তো দূরের কথা, একটা ফ্যাক্টরিও তৈরি হয়নি।” প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, “মানুষের হাতে কাজ নেই, অথচ শিল্পের জন্য নেওয়া জমি পড়ে আছে। প্রতিশ্রুতি রাখেননি মমতা।”

কোচবিহার জেলায় পড়ে থাকা এই জমির কথা আগেই সম্প্রচার করেছিল TV9 বাংলা। মেখলিগঞ্জ বিধানসভার জয়ী সেতু সংলগ্ন তিস্তা নদীর চরে শিল্প তালুকের জন্য ২০২১ সালে ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল রাজ্য সরকার। সেইসময় মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ওই জমিতে ২৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে শিল্প তালুক গড়ে তোলা হবে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে তিস্তা নদী দিয়ে কোটি কোটি কিউসেক জল বয়ে গেলেও আজও সেখানে শিল্প তালুকের পরিকাঠামো শুরু হয়নি। সেখানে এখন ভুট্টা চাষ হয়।

এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, “শিল্প শব্দটাই তো মুছে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। শিল্পের নামে জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু সেই শিল্প কোথায়, কত গভীরে, পুরোটাই উপকথা-রূপকথায় পরিণত হয়েছে।” তবে তৃণমূলের দাবি, জমির কিছু সমস্যার জন্য শিল্প তালুকের কাজ আটকে আছে। বিধানসভা ভোটের কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে উল্লেখ করেছেন তৃণমূল নেতা।

Follow Us