
কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম কোচবিহারে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে গিয়ে কোচবিহারের মদন মোহন মন্দিরে পুজো দেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। এ দিন মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর কোচবিহারের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে এয়ারপোর্ট তৈরি নিয়েও মন্তব্য করেছেন। স্পষ্টত জানান, এই জেলা নিয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। জেলা শাসক ইতিমধ্যেই সেই পরিকল্পনা বানিয়েছেন।
বাগডোগরা বিমানবন্দর ছাড়া আপাতত উত্তরবঙ্গে যাওয়ার জন্য় অন্য কোনও বিমান-বন্দর নেই। এদিকে, কোচবিহারে জমি পড়ে থাকা সত্বেও এয়ারপোর্ট নেই। এই নিয়েই মুখ খুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বলেন, “কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে কিছু আলোচনা করেছি। এতে কোচবিহার থাকছে।” অর্থাৎ বিমানবন্দর নিয়ে আগামীতে পরিকল্পনা রয়েছে তা হাবেভাবে কার্যত বুঝিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী।
এরপর কোচবিহারের সামগ্রিম উন্নয়ন নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তখন বলেন, “আমি ৯ মে শপথ নিয়েছি। আমায় ৯ মে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ ১ বছর সময় দিতে হবে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের যে কাজ হচ্ছে দেখবেন তাতে অধিকাংশই আমরা কোচবিহার জেলার জন্য করেছি। এর বাইরেও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ আমরা এই জেলার জন্য করছি।”
এই জেলার পর্যটন নিয়ে বলতে গিয়ে নিজের পরিকল্পনার বিষয় জানান। বলেন, “উত্তরবঙ্গ তরাই-ডুয়ার্সের একশৃঙ্গ গণ্ডার জগৎ বিখ্যাত ব্যাপার। তাই এখানে পর্যটককে আনতে হবে। এখানে দু’ধরনের পর্যটককে আনতে হবে। একটা প্রকৃতিকে দেখার জন্য পর্যটক আসবে। আরেকটা ধর্মীয় স্থান দেখতে আসবেন। এর জন্য রেল-বিমানবন্দর-বাস ও রাত্রিবাসের জন্য ভালো-ভালো গেস্ট হাউজ বানাতে হবে। এই কাজ করলেই দেখবেন ভাল পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে কোচবিহার।”