MLA: টিকিট পেলেও ভোটে লড়তে পারবেন তো? SIR-এর লিস্ট দেখেই ঘুম উড়েছে বিধায়কের
একা বিধায়ক নন কুমারগঞ্জ ব্লকের জাখিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চকমোহন প্রাথমিক বিদ্যালয় বুথে এমন প্রায় ৩৫০ জনের নাম বিচারাধীন রয়েছে। বিধায়কের ঘটনা জানতে পেরেই রবিবার সকালে বিধায়কের অফিসে দেখা করতে আসেন তাঁর অনুগামীরা।

কুমারগঞ্জ: এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতেই সামনে আসছে একের পর এক বিতর্ক। নথি দেওয়া সত্ত্বেও কেন নাম বাদ পড়ল, কেনই বা নাম রয়ে গেল অমীমাংসিত তালিকায়, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। এবার এই অভিযোগই তুললেন খোদ বিধায়ক। দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের তৃণমূলের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডলের নাম এবার উঠল ‘বিচারাধীন’ নামের তালিকায়। বাবার নামের উচ্চারণের ভুলের কারণে তৃণমূল বিধায়ককে আগেই এসআইআর-এর হিয়ারিংয়ে উপস্থিত হতে হয়েছিল।
এসআইআর প্রক্রিয়ার হিয়ারিং শেষে এবার বৈধ ভোটার হিসেবে না থাকায় প্রশ্নের মুখে পড়েছেন বিধায়ক। নাম যদি বৈধ ভোটার লিস্টে না আসে, তাহলে তিনি এবারে বিধানসভা নির্বাচনে কীভাবে লড়বেন, তা নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। বিচারাধীন তালিকায় নাম থাকলে ভোট দিতে পারবেন? আর ভোট দিতে না পারলে ভোটে দাঁড়াবেন কীভাবে?
একা বিধায়ক নন কুমারগঞ্জ ব্লকের জাখিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চকমোহন প্রাথমিক বিদ্যালয় বুথে এমন প্রায় ৩৫০ জনের নাম বিচারাধীন রয়েছে। বিধায়কের ঘটনা জানতে পেরেই রবিবার সকালে বিধায়কের অফিসে দেখা করতে আসেন তাঁর অনুগামীরা।
এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ তৃণমূলের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল। তিনি বলেন, “আমি একজন পেনশন হোল্ডার। ৩৬ বছর চাকরি করেছি। আমি দুবারের বিধায়ক। ২০০২ সালেও আমার ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। বাবার নামের উচ্চারণের সামান্য ভুলের কারণে আমাকে হিয়ারিং-এ ডাকা হয়েছিল। আমি সমস্ত কাগজ জমা দিয়েছিলাম। আমি বাড়ির প্রধান আমি বাদে বাড়ির সকলের ভোটার লিস্টে নাম এসেছে। তাহলে শুধু আমার নাম কী করে বিচারাধীন হিসেবে এসেছে?” বিষয়টি তিনি জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন। এই নিয়ে যদি কোথাও অভিযোগ জানাতে হয়, তাহলে সেটাও করা হবে বলে জানান বিধায়ক।
তবে এই ঘটনায় বিজেপির চক্রান্ত রয়েছে বলে দাবি বিধায়কের। যদিও বিজেপি তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
