South Dinajpur: সেই অক্টোবর থেকে এই শিক্ষকদের জুটছে না বেতন, কবে হবে? উত্তর নেই কারও কাছে

বর্তমানে চারটি এমএসকে সেন্টার আছে। যার মধ্যে দুটি পুরসভার অধীনে। আর দুটি ব্লক প্রশাসনের অধীনে রয়েছে। এই চারটি স্কুল মিলিয়ে প্রায় ১৪ জন শিক্ষক ও কর্মী রয়েছেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে করখা সারথী ও চকসাদুল্লা এমএসকে বুনিয়াদপুর পুরসভায় অধীনে চলে যায়।

South Dinajpur: সেই অক্টোবর থেকে এই শিক্ষকদের জুটছে না বেতন, কবে হবে? উত্তর নেই কারও কাছে
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Feb 28, 2026 | 1:04 PM

বুনিয়াদপুর: কাজ করার পরও গত চার মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বুনিয়াদপুর পুরসভার অন্তর্গত মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মীরা। এই নিয়ে পুরসভা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। এদিকে যখন পুরসভার অন্তর্গত এমএসকে কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না, ঠিক তখনই ব্লক প্রশাসনের অধীনে থাকা এমএসকের কর্মীরা যথা সময়ে বেতন পাচ্ছেন। এই ইস্যুতেই পুরসভার কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ার ফলে সমস্যায় পড়েছেন মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মীরা। পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে তাঁদের কাছে বেতন দেওয়ার বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। জানালেই তাদের বেতন দিয়ে দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছে পুর কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল মূলত স্কুলছুট কিশোর-কিশোরী ও বয়স্ক শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন এলাকায় এই এমএসকে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে জেলায় প্রায় ৪০টি এমএসকে কেন্দ্র রয়েছে। বংশিহারী থানা এলাকায় ৫টি এমএসকে সেন্টার থাকলেও ব্রজবলল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর এমএসকে সেন্টার অনেক দিন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

বর্তমানে চারটি এমএসকে সেন্টার আছে। যার মধ্যে দুটি পুরসভার অধীনে। আর দুটি ব্লক প্রশাসনের অধীনে রয়েছে। এই চারটি স্কুল মিলিয়ে প্রায় ১৪ জন শিক্ষক ও কর্মী রয়েছেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে করখা সারথী ও চকসাদুল্লা এমএসকে বুনিয়াদপুর পুরসভায় অধীনে চলে যায়। অভিযোগ, ব্লকের অধীনে চলে স্কুলে শিক্ষক ও কর্মীরা প্রায় নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন, অথচ পুরসভার অধীনে থাকা দুটি স্কুলের ছয় জন শিক্ষক ও কর্মী অনিয়মিতভাবে বেতন পাচ্ছেন। এমনকী গত অক্টোবর মাস থেকে এখনও পর্যন্ত তাঁরা কোনও বেতন পাননি। কবে বেতন পাবেন, তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই।

এদিকে বেতন না পেলেও প্রতিদিন স্কুলে নিয়মিত আসতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মীদের। করখা স্কুলে বর্তমানে ৯১ জন পড়ুয়া রয়েছেন। চারজন শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলেও একজনকে অন্য স্কুলে ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনজন শিক্ষক দিয়ে পঠন পাঠন করানো মুশকিল হয়ে পড়ছে। শুধু এমএসকে নয় পুরসভার অন্তর্গত ১০ টি এসএসকে সেন্টারের কর্মীরাও বেতন ঠিকভাবে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। এই সব কারণে স্কুলগুলিতে কমছে পড়ুয়ার সংখ্যা। এর জন্য এই সরকার দায়ী বলে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপী সরকার অভিযোগ করেছেন।

এই বিষয়ে বুনিয়াদপুর পুরসভার পুরপ্রশাসক সমীর সরকার বলেন, “এই স্কুলগুলির শিক্ষক ও কর্মীদের বেতন হয় ‘আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মিউনিসিপ্যাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট’ থেকে। তাঁরা বেতন নিয়ে কোনও তথ্য বা কিছুই পাঠায়নি। আমাদের কাছে বেতন এলেই তা আমরা শিক্ষকদের দিয়ে দেব। এছাড়াও স্কুলের কোনও উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হলে পুরসভাকে জানালে পুরসভা এবিষয়ে সদর্থক ভূমিকা নেবে।”