
দার্জিলিং : পাহাড়ের রানি দার্জিলিং। পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। একইসঙ্গে পাহাড়ের রাজনীতিতেও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। দার্জিলিং জেলায় অবস্থিত দার্জিলিং বিধানসভা কেন্দ্র। দার্জিলিং লোকসভারই অন্তর্গত। এই কেন্দ্রটি গঠিত হয় ১৯৫১ সালে। অর্থনীতির মূল ভিত্তি চা ও পর্যটন। দার্জিলিঙের চা জগৎবিখ্যাত।
দার্জিলিংয়ের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি আঞ্চলিক দলগুলির প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা এবং অন্যান্য পাহাড়ি সংগঠন পাহাড়ের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই বারবার রাজনীতির কেন্দ্রে উঠে এসেছে গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের মতো ইস্যু। প্রথম কয়েক দশক জুড়ে এই কেন্দ্র আধিপত্য ছিল অখিল ভারতীয় গোর্খা লিগের। ১৯৬২ থেকে ১৯৭৭-টানা ছ’টি নির্বাচনে জয়ী হয় দল। ১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল গোর্খা ন্যাশানাল লিবারেশন ফ্রন্ট। ২০১১ ও ২০১৬ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয় লাভ করে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। তবে, ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী নিরাজ তামাং জিম্বা এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী কেশব রাজ শর্মাকে প্রায় ২১,৭২৬ ভোটে পরাজিত করেন।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে দার্জিলিঙে প্রার্থী দেয়নি তৃণমূল। পাহাড়ে তিন আসনে এবার লড়ছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। দার্জিলিঙে লড়াই করছেন ‘মমতাপন্থী’ বলে পরিচিত অনীত থাপার দল। বিজেপির টিকিটে লড়াই করবেন নমান রায়।