মালবাজার: তিস্তার জলে ভেসে যাচ্ছিল হস্তিশাবক। মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সেই হাতির ছানাকে উদ্ধার করল একদল মৎসজীবী। ঘটনাটি ঘটেছে মালবাজার ব্লকের ১২ নম্বর এলাকায়। উদ্ধার হওয়ার পর হস্তিশাবকটিকে নিরাপদে কাঠামবাড়ি রেঞ্জের বনকর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, নদীতে মাছ ধরার সময় মৎস্যজীবীদের নজরে আসে যে জলের তোড়ে একটি হাতির শাবক ভেসে যাচ্ছে। বিপদ বুঝতে পেরে আর দেরি না করে, নৌকা নিয়ে হস্তিশাবকটির দিকে ছুটে যান তাঁরা। এরপর নদীর স্রোতের মধ্যে থেকে কার্যত লড়াই করে হস্তিশাবকটিকে নৌকায় তুলে নিরাপদে নদীর পাড়ে নিয়ে আসেন মৎস্যজীবীরা।
উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিস্তা নদীর গজল ডোবা এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীদের নজরে আসে যে জলে ভেসে যাচ্ছে হস্তিশাবকটি। নদীর জলে খাবি খাচ্ছে সে। এরপর নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা নিয়ে তাঁরা এগিয়ে যান এবং শাবকটিকে উদ্ধার করেন।
বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে হাতির ছানাকে। বর্তমানে হস্তিশাবকটির শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে সেটি তিস্তায় ভেসে এল, তা খতিয়ে দেখছেন বনকর্মীরা।
অপরদিকে, হস্তিশাবকটি উদ্ধারের পরই আসল টুইস্ট। ছানাকে দেখতে না পেয়ে, এলাকায় পাগলের মতো ঘুরে বেড়াতে শুরু করে মা হাতি। উদভ্রান্তের মতো চতুর্দিকে তাঁর ছানাকে খুঁজতে থাকে। বিষয়টি নজরে আসে বনদফতরেরও। এরপরই তারা ছানাটিকে তাঁর মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়।
মালবাজার: তিস্তার জলে ভেসে যাচ্ছিল হস্তিশাবক। মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সেই হাতির ছানাকে উদ্ধার করল একদল মৎসজীবী। ঘটনাটি ঘটেছে মালবাজার ব্লকের ১২ নম্বর এলাকায়। উদ্ধার হওয়ার পর হস্তিশাবকটিকে নিরাপদে কাঠামবাড়ি রেঞ্জের বনকর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, নদীতে মাছ ধরার সময় মৎস্যজীবীদের নজরে আসে যে জলের তোড়ে একটি হাতির শাবক ভেসে যাচ্ছে। বিপদ বুঝতে পেরে আর দেরি না করে, নৌকা নিয়ে হস্তিশাবকটির দিকে ছুটে যান তাঁরা। এরপর নদীর স্রোতের মধ্যে থেকে কার্যত লড়াই করে হস্তিশাবকটিকে নৌকায় তুলে নিরাপদে নদীর পাড়ে নিয়ে আসেন মৎস্যজীবীরা।
উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিস্তা নদীর গজল ডোবা এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীদের নজরে আসে যে জলে ভেসে যাচ্ছে হস্তিশাবকটি। নদীর জলে খাবি খাচ্ছে সে। এরপর নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা নিয়ে তাঁরা এগিয়ে যান এবং শাবকটিকে উদ্ধার করেন।
বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে হাতির ছানাকে। বর্তমানে হস্তিশাবকটির শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে সেটি তিস্তায় ভেসে এল, তা খতিয়ে দেখছেন বনকর্মীরা।
অপরদিকে, হস্তিশাবকটি উদ্ধারের পরই আসল টুইস্ট। ছানাকে দেখতে না পেয়ে, এলাকায় পাগলের মতো ঘুরে বেড়াতে শুরু করে মা হাতি। উদভ্রান্তের মতো চতুর্দিকে তাঁর ছানাকে খুঁজতে থাকে। বিষয়টি নজরে আসে বনদফতরেরও। এরপরই তারা ছানাটিকে তাঁর মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়।