Hooghly: ‘প্রতিদিন ২০-২৫ টা সিলিন্ডার আসে’, সিলিন্ডারের পর সিলিন্ডার মজুত করেও এক লহমায় সব শেষ

Hooghly: দমকলের তিনটি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। বাসিন্দারা জানান,বড় বড় অক্সিজেন ও এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এসে লোহা কাটা হয়। ছাঁট মাল লরি বোঝাই করে নিয়ে আসা নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে থাকা কয়েকটি গাড়ি আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে চন্দননগর পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল ও পাশের দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহিত নন্দী উপস্থিত হন।

Hooghly: প্রতিদিন ২০-২৫ টা সিলিন্ডার আসে, সিলিন্ডারের পর সিলিন্ডার মজুত করেও এক লহমায় সব শেষ
এলাকাবাসীImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 14, 2026 | 12:05 AM

হুগলি: দেশ জুড়ে গ্যাসের আকাল। তারমধ্যেই মজুত ছিল  সিলিন্ডার। এলাকাবাসীদের বারণ ছিল। থানা পর্যন্ত গিয়েছিলেন, তারপরও মানেনি কর্তৃপক্ষ। চন্দননগর পুরনিগমের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সুরেরপুকুরে ছাঁট মালের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,  জনবসতি এলাকায় এই গোডাউনে আগেও আগুন লেগেছিল। ধোঁয়া আর শব্দে টেকা দায় হয়ে যায়। আগেও একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। রাতে আবারও হঠাৎই আগুন লাগে। প্রচণ্ড শব্দে সিলিন্ডার ফাটতে থাকে। আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। ভয়ে মানুষজন বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়েন।

দমকলের তিনটি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। বাসিন্দারা জানান,বড় বড় অক্সিজেন ও এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এসে লোহা কাটা হয়। ছাঁট মাল লরি বোঝাই করে নিয়ে আসা নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে থাকা কয়েকটি গাড়ি আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে চন্দননগর পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল ও পাশের দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহিত নন্দী উপস্থিত হন।

কাউন্সিলর মোহিত নন্দী জানান, তিনি ঘটনার ফোন পেয়ে দমকলে খবর দেন। দমকল তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজ করে। কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। ডেপুটি মেয়র জানান, আগে কেউ তার কাছে অভিযোগ জানাননি। এই অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত হবে। যদিও স্থানীয় এক বাসিন্দা মহামায়া চক্রবর্তী বলেন, “প্রায় আড়াইশো বাড়ির সই নিয়েছিলাম। তারপর থানায় গিয়েছিলাম। থানায় কিছু হল না। বরং উল্টে আমাদেরই বলল। আরও একবার আগুন ধরেছিল। মিটিং করে বলা হয়েছিল, সিলিন্ডার আর দেওয়া হবে না। প্রতিদিন ২০-২৫টা সিলিন্ডার আসে। বড় বড় টায়ার পোড়ায়।”

গোডাউন মালিক শাহজাদ নস্কর জানান, রমজান মস চলায় ছ’টার পর আর কেউ থাকি না। স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন। লোহার ছাঁট মাল ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ কোনদিন অভিযোগ করেনি। কারখানা চললে একটু আওয়াজ হবেই। আগুনে কেউ হতাহত হয়নি বলে খবর।।

Follow Us