
চন্দননগর: বাংলায় ফরাসি উপনিবেশের আতুঁড়ঘর চন্দননগর। চন্দননগর একসময় বামপন্থীদের বিশেষ করে সিপিআইএম-এর দুর্ভেদ্য দুর্গ ছিল। তবে ২০১১ সালের পরিবর্তনের জোয়ারে এই কেন্দ্রটি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে আসে। ২০১৬ এবং ২০২১, টানা দুই নির্বাচনে তিনি এখান থেকে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গত দশ বছরে গঙ্গার ঘাট সংস্কার, আলোকসজ্জা এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর আন্তর্জাতিক প্রচারকে হাতিয়ার করে ইন্দ্রনীল সেন নিজের জমি শক্ত করেছেন।
তবে বিরোধীরা অনেক সময় তাঁর ‘বহিরাগত’ তকমা দেগেছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এই এলাকায় অভাবনীয় ভোট পেয়েছিল। এখানে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। এদিকে, ডানকুনি ও সিঙ্গুর সংলগ্ন হওয়ায় শিল্পায়ন এবং স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান একটি বড় ইস্যু। কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে নিজের হারানো জমি পুনরুদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছে বামেরা।
এবার লড়াই কাদের মধ্যে?
তৃণমূল কংগ্রেস: আবারও ইন্দ্রনীল সেনকে এই হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে তৃণমূল।
বিজেপি : ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হলেন দীপাঞ্জন কুমার গুহ।
সিপিআই(এম) : মণীশ পাণ্ডা
কংগ্রেস: রতন কুমার গোলদার