Chorbagan Tragedy: ‘বেনারসের সন্ধ্যা আরতির ছবি! মাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার কথা ছিল এই পুজোতেই’, শ্রীপর্ণার জন্য আজও দরজায় বসে পপি!

Chorbagan Tragedy Sriparna Poddar: বারবার মেয়ের ছবির সামনে বসে থাকছেন। ঘরে ঢোকার সামনেই রাখা রয়েছে শ্রীপর্ণার ছবি। মেয়ের আঁকা ছবিগুলো অ্যালবামের পাতা থেকে খুঁজে বার করেছে মা। মেয়ে চলে গিয়েছে কিন্তু তার শেষ সম্বলটুকু আঁকড়ে বসে রয়েছেন মা স্বপ্না। একসময় তিনিও নার্সের কাজ করতেন, তিন বছর আগে অবসর নিয়েছেন। বাবা সোমনাথের কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে।

Chorbagan Tragedy: বেনারসের সন্ধ্যা আরতির ছবি! মাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার কথা ছিল এই পুজোতেই, শ্রীপর্ণার জন্য আজও দরজায় বসে পপি!
ছবি হাতে শ্রীপর্ণার মাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 21, 2026 | 6:05 PM

হুগলি: মাকে সারপ্রাইজটা আর দেওয়া হল না শ্রীপর্ণার, খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিদির পথ চেয়ে বসে আছে বাড়ির পপি। উমা বাড়ি ফিরলেও আর বাড়ি ফেরা হল না শ্রীপর্ণার। সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বৈদ্যবাটির মালির বাগানের বছর ২৬ এর শ্রীপর্ণার। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা দিন। মেয়ের স্মৃতি আঁকড়ে বসে রয়েছেন মা স্বপ্না পোদ্দার। বারবার মেয়ের ছবির সামনে বসে থাকছেন। ঘরে ঢোকার সামনেই রাখা রয়েছে শ্রীপর্ণার ছবি। মেয়ের আঁকা ছবিগুলো অ্যালবামের পাতা থেকে খুঁজে বার করেছে মা। মেয়ে চলে গিয়েছে কিন্তু তার শেষ সম্বলটুকু আঁকড়ে বসে রয়েছেন মা স্বপ্না। একসময় তিনিও নার্সের কাজ করতেন, তিন বছর আগে অবসর নিয়েছেন। বাবা সোমনাথের কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে।

শ্রীপর্ণার মা স্বপ্না পোদ্দার বলেন, “পুজোর ছুটিতে বাড়ি এলে ঠাকুর দেখার মাঝেও রান্না করতে ভালোবাসতো। আমি ঠাকুরকে বলি, এমন দিন যেন কারোর না আসে। সকালে মেয়েকে সাজিয়ে পাঠালাম, সন্ধ্যায় আর ওকে দেখার মতো পরিস্থিতি ছিল না। ছোট থেকে আঁকতে ভালোবাসতো। কার্টুন দেখে আঁকার প্রতি ভালোবাসা এসেছিল। শাড়ি পরতে বেশি ভালোবাসতো। বাড়ির পোষ্য পপি, সেও অপেক্ষা থাকতো দিদির।”

শ্রীপর্ণা বাড়ি ফিরলেই মিষ্টি আনতো পপির জন্য।কিন্তু কিছুদিন ধরে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে সে।আগে বাড়ি অচেনা কেউ এলেই চিৎকার করতো পোষ্য সারমেয়টি।কিন্তু এখন একদম চুপ হয়ে গিয়েছে।

পুজোতে মাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু সেটা আর দেওয়া হয়ে উঠল না শ্রীপর্ণার। অর্ধেক ছবি আঁকা বাকি রেখেই বিদায় নিতে হল তাঁকে। তিনি বলেন, “খুব শৌখিন ছিল মেয়ে, বেনারসের একটা ছবি আঁকছিল। যে হোস্টেলে থাকতো সেখানে সময় পেলে একটু একটু করে আঁকতো। বেনারসের সন্ধ্যা আরতি ছবি আঁক ছিল। কিন্তু সেটা আর দেওয়া হল না।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us