Hooghly: মঙ্গলবার রাতের পর আর খোঁজ নেই! পঞ্চমীর দুপুরে জানালা দিয়ে উঁকি মারতেই…

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, বছর ১৩ আগে সানন্দা নিজের পছন্দেই বিয়ে করেছিলেন। নিজের পিসির ভাসুরের ছেলে মদন মোহন বারিকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। মদন মোহনের বাড়ি ওড়িশার বালুসাই এলাকায়। সানন্দার বাবা মনোজ ভদ্র সিআরপিএফের কর্মী ছিলেন। বাড়ির অমতে বিয়ে বলে প্রথমটায় মেনে নিতে পারেনি পরিবার।

Hooghly: মঙ্গলবার রাতের পর আর খোঁজ নেই! পঞ্চমীর দুপুরে জানালা দিয়ে উঁকি মারতেই...
উদ্ধার সানন্দার দেহImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Oct 15, 2026 | 8:35 PM

চুঁচুড়া: বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার যুবতীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। পঞ্চমীর সন্ধ্যায় যুবতীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে হুগলির চুঁচুড়ার প্রতাপপুরে। মৃত যুবতীর নাম সানন্দা বারিক (৩৮)। ঘটনার পর থেকে কোনও খোঁজ নেই স্বামীর। যুবতীর পরিবারের তরফে তাঁর স্বামী অর্থাৎ জামাই মদন মোহনের বিরুদ্ধেই খুনের অভিযোহ তোলা হয়েছে। ওই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, বছর ১৩ আগে সানন্দা নিজের পছন্দেই বিয়ে করেছিলেন। নিজের পিসির ভাসুরের ছেলে মদন মোহন বারিকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। মদন মোহনের বাড়ি ওড়িশার বালুসাই এলাকায়। সানন্দার বাবা মনোজ ভদ্র সিআরপিএফের কর্মী ছিলেন। বাড়ির অমতে বিয়ে বলে প্রথমটায় মেনে নিতে পারেনি পরিবার। পুলিশে অভিযোগ করেছিলেন সেই সময়।

পরে অবশ্য মিটমাট হয়ে গেলে তিন মাস পর অনুষ্ঠান করে সামাজিক বিয়ে দেয় পরিবার। বছর পাঁচেক আগে প্রতাপপুরেই ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে যুবতী। তাঁদের দুই ছেলে মেয়ে। মদন মোহন একটি নামি শাড়ির সেলসে কাজ করতেন।
সেই সুবাদে প্রায় রোজ কলকাতার বড় বাজারে যেতেন তিনি। স্বামীর সঙ্গে সানন্দাও যেতেন মাঝেমধ্যে।

পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে গত পরশু দিনও তাঁরা বেরিয়েছিলেন একসঙ্গে। যুবতীর বাবা জানান ওইদিন রাত ১০টা নাগাদ তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছিল মেয়ের। তারপর গতকাল অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে আর তাঁদের দেখা যায়নি। দম্পতির দুই সন্তান সানন্দার মায়ের কাছে ছিল।

বুধবার সকাল থেকে সানন্দাদের ঘরের তালা বন্ধ দেখে বাড়ির মালিক যুবতীর পরিবারকে জানান। এরপর খোঁজখবর শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু দম্পতির মোবাইল সুইচড অফ ছিল। সন্দেহ হওয়ায় ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি মারতেই দেখা যায়, মেঝেতে পড়ে রয়েছে সানন্দার দেহ। বৃহস্পতিবার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

চুঁচুড়া থানার পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। দেখা যায় মেঝেয় পড়ে রয়েছে চাপ চাপ রক্ত। যুবতীর মুখই চেনা দায়। দেহ উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই মদন মোহন বারিকের। যুবতীর পরিবারের দাবি দু’জনের কোনও অশান্তির খবর তাঁরা জানতেন না। তবে মেয়ের মৃত্যুর জন্য জামাই দায়ী বলে দাবি সানন্দার বাবার। দুর্গাপুজোর পঞ্চমী আর এই দিনে এমন একটি ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us