Nepal Flood Scare: নেপাল থেকে ভিডিয়ো বার্তা আরামবাগের ‘নিখোঁজ’ ৬৫ পর্যটকের, কী বললেন?
65 Arambagh Tourists Safe in Nepal: পরিকল্পনা অনুযায়ী নেপালের পোখরা ভ্যালি, ইন্টারন্যাশনাল চেতন পার্ক ও মনস্কামনা মন্দির দর্শনের কথা ছিল পর্যটকদের। কিন্তু হঠাৎ দুর্যোগ শুরু হওয়ায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়। প্রিয়জনদের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আরামবাগের পরিবারগুলির মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আশঙ্কার সৃষ্টি হয়।

আরামবাগ: অবশেষে স্বস্তি। গত বুধবার নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। শনিবার এল স্বস্তির খবর। নেপালে আটকে থাকা আরামবাগের ৬৫ জন পর্যটক নিরাপদে রয়েছেন। ভিডিয়ো বার্তা পাঠিয়ে পরিবারকে স্বস্তির খবর জানালেন তাঁরা। তবে এখনই ফিরে আসতে চান না। পরিকল্পনামতো সব জায়গা ঘুরেই বাড়ি আসতে চান ওই পর্যটকরা।
গত ২৪ অগস্ট বিকেলে আরামবাগের ওলাইবিবিতলা থেকে ১২ দিনের জন্য নেপাল ও দেওঘরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন ওই পর্যটকরা। আরামবাগ মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দারা ওই দলে রয়েছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী নেপালের পোখরা ভ্যালি, ইন্টারন্যাশনাল চেতন পার্ক ও মনস্কামনা মন্দির দর্শনের কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু হঠাৎ দুর্যোগ শুরু হওয়ায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়। প্রিয়জনদের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আরামবাগের পরিবারগুলির মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আশঙ্কার সৃষ্টি হয়।
ভিডিয়ো বার্তায় কী বললেন পর্যটকরা?
শেষপর্যন্ত পর্যটকদের পাঠানো ভিডিয়ো বার্তায় স্পষ্ট হয় যে তাঁরা সবাই সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন। ওই ভিডিয়ো বার্তায় পর্যটকরা বলেন, “আরামবাগ থেকে নেপাল বেড়াতে এসেছি। এখনও পর্যন্ত কোনও অসুবিধা কিংবা বিপদের মধ্যে পড়িনি। ঘোরাঘুরি, খাওয়া দাওয়ার কোনও অসুবিধা হয়নি।”
সব জায়গা ঘোরার আগে তাঁরা ফিরে আসতে চান না জানিয়ে বলেন, “আমরা খুব ভালো আছি। আমরা বেড়াতে এসেছি। তাই বেড়ানোর পরই ফিরে যেতে চাই। আমাদের যেখানে যেখানে যাওয়ার কথা, সেখানে যাচ্ছি। স্বেচ্ছায় যাচ্ছি। আমাদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে না।” শিখা দত্ত নামে এক পর্যটক বলেন, “আমরা তো দ্বিতীয়বার এখানে আসতে পারব না। আমাদের বয়স হয়েছে। কোনও সমস্যা হলে ফিরে যেতাম। সমস্যা নেই তাই, সব দেখে ফিরব।” পর্যটকদের এই ভিডিয়ো বার্তায় স্বস্তি পেয়েছে পরিবারগুলি। তাদের বক্তব্য, সমস্যা না হলে সব দেখেই ফিরুন সবাই। পর্যটকরা সুস্থ আছেন জেনেই চিন্তামুক্ত হয়েছেন পরিজনরা।
