
হুগলি: গ্যাস নেই। গ্যাসের আকাল। গৃহস্থালী থেকে বড়-বড় রেস্তোরাঁ, সবেতেই বাড়ছে চিন্তা। এমনকী, মন্দিরগুলিতেও প্রসাদ বিতরণ আপাতত বন্ধ রয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার বিখ্যাত মিষ্টির দোকানের ছ’টি কাউন্টার বন্ধ করে দিতে হল। হুগলির ‘মৃত্যুঞ্জয় অ্যান্ড সন্স’ গ্যাস না পাওয়ার জন্য বন্ধ করে দিতে এই কাউন্টারগুলি।
জানা যাচ্ছে শ্রীরামপুর,ভদ্রেশ্বর, চন্দননগর,মানকুন্ডু এবং চুঁচুড়ায় ছটি কাউন্টার বন্ধের নোটিস টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি আরও ছয়টি দোকান বলতে গেলে ‘নমঃ নমঃ’ করে চলছে। তবে সেগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে যে কোন সময়।
ভদ্রেশ্বরের মৃত্যুঞ্জয় সরকার। তিনি প্রসিদ্ধ মিষ্টির ব্যবসায়ী। একসময়ের ব্যবসা কলে বলে বেড়েছে অনেকটাই। দু’টি কারখানায় বহু শ্রমিক কাজ করেন। পাশাপাশি কাউন্টার গুলিতেও অনেক শ্রমিক রয়েছেন। ব্যবসা বন্ধ হওয়ায় তাঁদের সমস্যা সব থেকে বেশি। যারা মিষ্টি পছন্দ করেন মৃত্যুঞ্জয়ের রসগোল্লায় হোক লট চমচম অথবা দই ছাড়া চলতেই পারেন না। তাই যুদ্ধ না থামলে আপাতত সেগুলি যে আর পাতে পড়বে না এখন সে কথাই বলা যায়।
এর আগে পূর্ব বর্ধমানের কালনাতে একটি প্রসিদ্ধ পান্তুয়ার দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে ছিল। এবার মৃত্যুঞ্জয়ের মতো দোকান বন্ধের পথে। দোকানের মালিক বলেন, “মিষ্টি বানাতে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। অনেত কাস্টমারই মিষ্টি পাচ্ছেন না। কিন্তু কী করব বলুন তো। আর যাঁরা কাজ করতেন তাঁরাও এখন কাজ পাচ্ছেন না। বাড়িতে চুপচাপ বসে রয়েছেন। আমরাও চিন্তায় আছি কী হবে।”