SIR Voter Death: ভোটার তালিকায় নাম নেই, পাননি বুথ স্লিপ! বাঁশবাগানে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বৃদ্ধার, আতঙ্কে আত্মঘাতী?

WB Assembly Election 2026: হুগলিতে দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। তার আগে বাড়ি বাড়ি ভোটারদের বুথ স্লিপ দিয়ে যাচ্ছেন ভোটাররা। বৃদ্ধার বাড়িতেও স্লিপ দেওয়া হয়েছিল। রবি দেবীর বাড়ি দাদপুর থানার আইমা সোমসারা গ্রামে। কিন্তু দেখা যায়, শুধুমাত্র বৃদ্ধার ছেলে ও বউমার নামে ভোটার স্লিপ এসেছে। বৃদ্ধার নামে স্লিপ আসেনি। তারপরই চরম সিদ্ধান্ত?

SIR Voter Death: ভোটার তালিকায় নাম নেই, পাননি বুথ স্লিপ! বাঁশবাগানে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বৃদ্ধার, আতঙ্কে আত্মঘাতী?
হুগলিতে আতঙ্কে আত্মঘাতী বৃদ্ধা?Image Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Apr 23, 2026 | 3:18 PM

হুগলি : ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি। বাড়িতে শুধু ছেলে-বউমার নামেই এসেছে ভোটের স্লিপ। শেষপর্যন্ত কি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে? আতঙ্কে চরম সিদ্ধান্ত বৃদ্ধার। ভোটের স্লিপ দিয়ে যাওয়ার পরই আজ ভোরে বৃদ্ধার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের দাবি, আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন বৃদ্ধা। মৃতার নাম রবি মাঝি (৬৫)। হুগলির দাদপুর থানার ঘটনা।

ভোটার তালিকায় নাম নেই, আতঙ্ক

হুগলিতে দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। তার আগে বাড়ি বাড়ি ভোটারদের বুথ স্লিপ দিয়ে যাচ্ছেন ভোটাররা। বৃদ্ধার বাড়িতেও স্লিপ দেওয়া হয়েছিল। রবি দেবীর বাড়ি দাদপুর থানার আইমা সোমসারা গ্রামে। কিন্তু দেখা যায়, শুধুমাত্র বৃদ্ধার ছেলে ও বউমার নামে ভোটার স্লিপ এসেছে। বৃদ্ধার নামে স্লিপ আসেনি। পরিবারের দাবি, ১৯৯৫ সালে প্রথম ভোটার কার্ডে নাম ছিল গায়ত্রী মাঝি। আধার কার্ডে নাম রবি মাঝি। শেষ ভোটার তালিকাতেও নাম রবি মাঝি এসেছে। নামের গন্ডগোলের জেরে হিয়ারিংয়ে ডাক পেয়েছিলেন বৃদ্ধা। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিয়েছিলেন বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু, তাঁর নাম বাদ চলে যায়। সেই থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বৃদ্ধা।

পরিবার কী বলছে?

পরিবারের দাবি, তাঁর নামে ভোটার স্লিপ না আসার পর থেকেই দুশ্চিন্তা করছিলেন বৃদ্ধা। ভবিষ্যতে কী হবে, তাঁকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে কি না, সেই নিয়ে চিন্তায় ঘুম উড়েছিল তাঁর। দেশান্তরিত হওয়ার আতঙ্ক গ্রাস করেছিল রবি দেবীকে, এমনটাই দাবি পরিবারের।

মৃতার ছেলে পল্টু বলেন, “গতকাল রাত থেকেই দুশ্চিন্তা করছিলেন। যখন আমার ও আমার স্ত্রীর ভোটার স্লিপ দিয়ে গেল, তখন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল যে আমার স্লিপ দেয়নি, তাহলে কী হবে। দুশ্চিন্তা করছিল। আমি রাত দু’টো পর মাঠে গরু নিয়ে গিয়েছিলাম। সেইসময় মা ঘরেই ছিল। পরে কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পর বাড়ি থেকে হঠাৎ খবর আসে বাড়ির পাশের বাঁশ বাগানে মা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন।”

মৃতার বউমা রুনু মাঝি বলেন,”ভোটের লিস্টে নাম না থাকলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেবে বলছিল। গতকাল বিএলও বুথ স্লিপ দিয়ে যায়। তাতে শাশুড়ির স্লিপ ছিল না। সেটা দেখেই ভুল বকতে শুরু করেছিলেন। নাম কেটে দিয়েছে এবার দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে। এই কথাগুলোই বারবার বলছিলেন।”

Follow Us