Howrah: ‘আমায় খুঁজছিলি’ বলেই যুবকের মাথায় গুলি, হাওড়ায় হাড়হিম ঘটনা
Youth shot dead: পারভেজ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "ভোর ৪টে ১০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটেছে। ২ জন আসে। এসে সফিককে বলে, আমায় খুঁজছিলি। একজন সফিকের পিছনে যায়। আর একজন সামনে ছিল। মাথায় ২ রাউন্ড গুলি করে। আর বুকে ২ রাউন্ড গুলি চালায়। ভয়ে সেখানে থাকা চারজন ছুটে পালায়।"

হাওড়া: এক যুবকের সামনে একজন। পিছনে একজন। হঠাৎ বন্দুক বের করে যুবকের মাথায় গুলি। যুবক লুটিয়ে পড়তেই মৃত্যু নিশ্চিত করতে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হল। তারপর চম্পট দিল ২ জন। কোনও সিনেমার দৃশ্য নয়। বুধবার ভোরে হাড়হিম ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর হাওড়ার গোলাবাড়িতে। গুলি চালানোর ঘটনা ধরা পড়েছে সিসিটিভিতে। মৃত যুবকের নাম সফিক খান। তোলাবাজি নাকি পুরনো শত্রুতার জন্য এই হামলা, তা খতিয়ে দেখছে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মৃত সফিক খানের বাড়ি গোলাবাড়ি থানার পিলখানায়। প্রোমোটিংয়ের ব্যবসা করতেন। এদিন ভোরে রাস্তার পাশে খাবার নিতে এসেছিলেন তিনি। সেইসময়ই দুই হামলাকারী এসে সফিকের সামনে দাঁড়ান। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই ২ জন হলেন মহম্মদ হারুল খান, রোহিত। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, সফিকের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলছেন একজন। আর সফিকের পিছনের দিকে চলে যান অন্য একজন। আশপাশে আরও কয়েকজন রয়েছেন। আচমকা পিছন থেকে বন্দুক বের করে সফিকের মাথায় গুলি করেন একজন। সফিক লুটিয়ে পড়তেই দুই হামলাকারী পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালান। তারপর সেখান থেকে চম্পট দেন। সফিককে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। খবর পেয়ে আসে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তারা। এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পুরনো ঝগড়ার জেরে সফিকের উপর হামলা হয়েছে বলে মৃতের পরিবারের অভিযোগ। মৃতের এক আত্মীয় বলেন, “হারুলের সঙ্গে অনেক আগে ঝামেলা হয়েছিল। কিন্তু, কোনও শত্রুতা ছিল না। হারুলই আর একজনকে নিয়ে এসে গুলি করেছে।”

হাসপাতালে নিয়ে গেলে সফিককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা
পারভেজ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “ভোর ৪টে ১০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটেছে। ২ জন আসে। এসে সফিককে বলে, আমায় খুঁজছিলি। একজন সফিকের পিছনে যায়। আর একজন সামনে ছিল। মাথায় ২ রাউন্ড গুলি করে। আর বুকে ২ রাউন্ড গুলি চালায়। ভয়ে সেখানে থাকা চারজন ছুটে পালায়।”
