
জলপাইগুড়ি: আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ। গ্রেফতার আলিপুরদুয়ার দুই পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির নেত্রীর দেওর। শনিবার রাতে আলিপুরদুয়ার দু’নম্বর ব্লকে এক আদিবাসী বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, টোটোপাড়া ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কার্জি পাড়া এলাকায় এক ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ঘরে একা ছিলেন। তাঁর ছেলে বাইরে কাজে বেরিয়েছিলেন। সে সময়েই ঘরে ঢোকে অভিযুক্ত।
অভিযোগ, বৃদ্ধাকে পিছন থেকে জাপটে ধরে তাঁর ওপর চড়াও হন অভিযুক্ত। নির্যাতনের সময়ে ঘরে ঢুকে পড়েন নির্যাতিতার ছেলে। হাতেনাতে অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন। যদিও অভিযুক্ত তখন তাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়ে ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান বলে দাবি।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হতেই ওই আদিবাসী বৃদ্ধার ছেলে ভাটি বাড়ি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের দাবি, রাত ন’টা নাগাদ অভিযোগ দায়ের হয়। তারপরই অভিযুক্তের খোঁজে শুরু হয় তল্লাশি। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি শামুকতলা থানা এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তে বৌদি আলিপুরদুয়ার দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী।
অভিযুক্তের দাদাও দেবেন্দ্রচন্দ্র দাস এলাকার দাপুটে বিজেপি নেতা বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি নেতার ভাই ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় এলাকায়। টোটোপাড়া ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা চিন্ময় কাজী বলেন, “অভিযুক্তর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন।” স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, “পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আইন আইনের পথে চলবে। “