
ধূপগুড়ি: সীমানা ঘেঁষা কলাগাছের পাতা কাটা নিয়ে সামান্য বিবাদ পৌঁছল চরম রক্তারক্তিতে। প্রতিবেশীদের পাথরের আঘাতে গুরুতর আহত হলেন স্থানীয় সিপিআইএম নেতা নির্মাল্য ভট্টাচার্য, তাঁর স্ত্রী ও কাকা-সহ পরিবারের মোট চারজন। ধূপগুড়ি পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া এলাকার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই পরিবারের সীমানায় থাকা একটি কলাগাছের ডালপালা ও পাতা প্রতিবেশীর বাড়ির সীমানার দিকে ঝুলে থাকাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরেই গন্ডগোল চলছিল। অভিযোগ, গাছটি কাটতে বলা হলেও তা না করায় নির্মাল্য ভট্টাচার্যের পরিবারের সদস্যরা নিজেদের সীমানার মধ্যে চলে আসা পাতা কেটে ফেলেন। এরপরেই প্রতিবেশী পরিবারের সঙ্গে তীব্র তর্কাতর্কি ও অকথ্য গালিগালাজ শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতি ও পরে ইটবৃষ্টিও হয়।
ছোড়া ইটে সিপিআইএম নেতা নির্মাল্য ভট্টাচার্যের চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। হামলায় আহত হন তাঁর স্ত্রী পর্ণাসী বসাক, কাকা পার্থপ্রতিম ভট্টাচার্য এবং পরিবারের আরও এক সদস্য। পার্থপ্রতিম ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতাল থেকে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
আক্রান্ত পরিবারের অভিযোগের তির প্রতিবেশী অশ্রু দে, শুভ্র দে এবং তাঁদের বাবা শঙ্কর দে-র দিকে। তবে পাল্টা দাবি তুলে শঙ্কর দে-র পরিবার জানিয়েছে, তাঁদের পরিবারের এক মহিলা-সহ দু’জনকেও মারধর করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। হামলার অভিযোগে অশ্রু দে, শুভ্র দে এবং শঙ্কর দে—এই তিনজনকে আটক করা হয়েছে। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।