AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jalpaiguri: ‘সরকার পুর্নবাসন দেয়নি, একটা করে পলিথিন দিয়েছে’

Jalpaiguri News: রবিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। নামানো হয়েছে এনডিআরএফ ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের। তাঁরাও ব্যস্ত উদ্ধার কাজে। তবে এখনও ঝড়ে ভেঙে পড়া সমস্ত গাছ পালা বাড়ি ঘর থেকে সরানো সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎহীন গোটা এলাকা।

Jalpaiguri: 'সরকার পুর্নবাসন দেয়নি, একটা করে পলিথিন দিয়েছে'
এখনও মাথার উপর ছাদ জুটল না দুর্গতদেরImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 02, 2024 | 1:31 PM
Share

জলপাইগুড়ি: রবিবারের টর্নেডোর তাণ্ডবের জেরে তছনছ হয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির বার্নিস ও পুটিমারির বিস্তৃত এলাকা। কোথাও কোথাও বাড়ির ঘরের চিহ্ন পর্যন্ত নেই। শ’য়ে শ’য়ে বিঘা চাষের ক্ষেত গিলেছে টর্নেডো। কার্যত মাথায় হাত কৃষকদের।

রবিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। নামানো হয়েছে এনডিআরএফ ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের। তাঁরাও ব্যস্ত উদ্ধার কাজে। তবে এখনও ঝড়ে ভেঙে পড়া সমস্ত গাছ পালা বাড়ি ঘর থেকে সরানো সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎহীন গোটা এলাকা। পুলিশ ও প্রশাসনের তরফ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে ঝড়ে বিধ্বস্তদের জন্য। তবে এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন, সরকারি ভাবে মেলেনি এখনও কোনও ত্রাণ। শুধু দেওয়া হয়েছে একটি পলিথিন। যা দিয়ে তাবু খাটিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন মানুষেরা। তাঁদের দাবি, পুনর্বাসন। এমনটাই দাবি গ্রামবাসী দের। অতুল রায় নামে গ্রামেরই এক বৃদ্ধ বলেন, “সকাল থেকে খাবার দেয়নি। প্লাস্টিকের মধ্যে রয়েছি। এখন তো নিজেরাই বলতে পারছি না কোথায় ছিলাম। সরকারের লোকজন আসেওনি। জানি না সরকার কী করবে। পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করেনি। একটা করে শুধু পলিথিন দিয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গত রবিবার জলপাইগুড়িতে টর্নেডোর বলি হন পাঁচজন। রাত্রিবেলাই জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সরকার যে পাশে রয়েছে সেই বার্তা দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ পাশে আছে। তবে এখন যেহেতু এমসিসি (নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি) কোড চলছে প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে যা যা করার সব করবে।”

তবে আজ সকাল থেকে কোনও খাবার পৌঁছয়নি। এমনটাই অভিযোগ করলেন গ্রামবাসীরা। এখনো গোটা গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে পরে রয়েছে বাড়ি ঘরের ধ্বংসাবশেষ। গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগেই সেগুলি সরানোর কাজ করছেন। দুর্গতদের অনেকেই এখনও চিকিৎসাধীন। যদিও, ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর দাবি, মানুষের থাকার জন্য ত্রাণ শিবির করা হয়েছে। খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৭০০ উপরে বাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ১৬৫ হেক্টর জমির চাষের ফসল নষ্ট হয়েছে। তার নথি জেলা প্রশাসনকে পাঠানো হয়েছে।

এর পাশাপাশি রামকৃষ্ণ মিশনের তরফে ঝড়ে বিধ্বস্তদের ত্রাণ তুলে দেওয়া হয়েছে। শুকনো খাবার, থালা,বাটি, মশারি মাটিতে বিছানোর জন্য ম্যাট। এছাড়াও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে অস্থায়ী তাবু খাঁটিয়ে গৃহহীনদের ভাত-খিচুড়ি খাবার দেওয়া হয়েছে।

Follow Us