
ময়নাগুড়ি: একটা ঝড় কেড়ে নিয়েছে ওদের সবকিছু। ত্রাণ পাননি বলে বারবার অভিযোগ করেছিলেন দুর্গতরা। সেই খবর লাগাতার সম্প্রচার করেছিল টিভি ৯ বাংলা। অবশেষে গ্রামের অসহায় মানুষদের একাংশের জন্য ঢুকলো রাজ্য সরকারের ত্রাণ। খাবার, বাসনপত্র,পোশাক এল রাজ্য সরকারের তরফে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ছাপ লাগানো প্যাকেটে এই ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে অসহায় মানুষগুলোর কাছে। তবে এই ত্রাণও যে পর্যাপ্ত নয় সে কথাই বলছেন এলাকাবাসী। তাঁরা চাইছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসে যেন দেখে যান কী অবস্থায় রয়েছেন তাঁরা।
এক মহিলা বলেন, “কিচ্ছু খাইনি। আমার ছেলেটাকে কিচ্ছু খেতে পায়নি। খিদের জ্বালায় কাঁদছে।” আর এক বাসিন্দা বললেন, “রাজ্য সরকার কিছু দিচ্ছে না। যাদের দেওয়ার কথা নয় তাঁরা খাবার দিচ্ছে। এমনকী জল নেই। আর এই টুকু খাবারে কী হবে?” আরও এক এলাকার বাসিন্দা বলেন, “যা ক্ষতি হয়েছে তা কি সরকার দিতে পারবে? যাদের ক্ষতি হয়নি তারা পাচ্ছে, যাদের হয়নি তাঁরা পাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী এসে দেখে যান। কী হচ্ছে এখানে।”
জানা যাচ্ছে, মোট ৮০০ জনের জন্য এসেছে ত্রাণ। যদিও ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়েছে হাজারের উপরে মানুষ। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের আধিকারিকদের কথায়, যেটুকু তৈরি করা সম্ভব হয়েছে, সেটুকু মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ত্রাণ। বার্নিশের কালীবাড়ি এলাকায় ত্রাণ দিতে হাজির স্বয়ং জলপাইগুড়ির জেলা শাসক সামা পারভিন। যা ত্রাণ দিচ্ছে, তাতে দু,দিন চলবে। তারপর সরকারি আধিকারিকদের আদৌ দেখা মিলবে? উঠছে প্রশ্ন