
ধূপগুড়ি: ধূপগুড়ি (Dhupguri) মহকুমার বানারহাট থানার অন্তর্গত পশ্চিম দুরামারি এলাকায় ঘরের ভেতর গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বানারহাট থানার অন্তর্গত পশ্চিম দুরামারি এলাকায়। খাটের কোনায় পড়ে ছিল মহিলার দেহ, আর ঘরের উপরে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিলো ওড়না। আত্মহত্যা নাকি খুন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। ঘটনার তদন্তে নেমেছে বানারহাট থানার পুলিশ।
মৃত মহিলার নাম প্রার্থনা মণ্ডল (৫৫)। তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল পশ্চিম দুরামারির বাসিন্দা ৩৫ বছরের দীপক মল্লিকের। সোমবার দীপক মল্লিকের বাড়ির ঘরের ভিতর থেকে প্রার্থনা মণ্ডলের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বানারহাট থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার প্রায় দেড় মাস আগে ভেংকালী এলাকায় প্রার্থনা মণ্ডলের বাড়িতে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান গ্রামবাসীরা। এরপর স্থানীয়দের উদ্যোগে ৫৫ বছরের প্রার্থনা মণ্ডল ও ৩৫ বছরের দীপক মল্লিকের বিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। সেই ঘটনার দেড় মাসের মধ্যেই একই বাড়ি থেকে প্রার্থনা মণ্ডলের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে ঘর থেকে প্রার্থনা মণ্ডলের মৃতদেহ উদ্ধার হয়, সেই ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। খাটের কোনায় তাঁর দেহ পড়ে ছিল। ঘরের উপরের দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দড়ি দেখতে পাওয়া যায়। ফলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পরিবারের তরফে পারিবারিক অশান্তির আশঙ্কার কথা জানানো হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে বানারহাট থানার পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর থেকেই দীপক মল্লিক পলাতক বলে জানা গিয়েছে। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে।