
জলপাইগুড়ি : ফের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা ঘিরে জটিলতা। অভিযোগ, মেখলিগঞ্জে নিয়ম মেনে সভা করার আবেদন জানানো হলেও অনুমতি মেলেনি। তবে, বিজেপির তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অনুমতি না মিললেও সভা হবে নির্দিষ্ট স্থানেই। প্রসঙ্গত, শনিবারই রাষ্ট্রপতির সভাস্থল নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। রাজ্য সরকারের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। অভিযোগ, রাজ্য সরকার রাষ্ট্রপতির সভাতেই অনুমতি দেয়নি। ইতিমধ্যেই এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে শুভেন্দুর সভাতেও অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এর আগেও একবার মেখলিগঞ্জের সভাকে কেন্দ্র করে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।
আগামী ৯ মার্চ মেখলিগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। ওইদিন দুপুরেই মেখলিগঞ্জ বিধানসভার হলদিবাড়ি পৌর এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের টমেটো মার্কেট এলাকায় জনসভা করার কথা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। নিয়ম মেনে সভা করার অনুমতি চেয়ে ইতিমধ্যে হলদিবাড়ি পৌরসভায় আবেদন করছে বিজেপি। কিন্তু অভিযোগ, পৌরসভার তরফে আবেদনপত্র গ্রহন করা হলেও, সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এদিকে, বিজেপির হুঁশিয়ারি, সভা হবেই। ক্ষমতা থাকলে পুলিশ আটকে দেখাক। ইতিমধ্যেই সভার জন্য প্যান্ডেল বাঁধার কাজ শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। সভাকে কেন্দ্র করে শনিবার হলদিবাড়িতে বিশাল বাইক মিছিল করে বিজেপির যুব মোর্চা। মেখলিগঞ্জ থেকে হলদিবাড়ি পর্যন্ত বাইক র্যালি করা হয়।
এদিকে, শুভেন্দুর সভাকে কেন্দ্র করে একটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। সেই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এই বিষয়ে হলদিবাড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌরভ রায় বলেন, হলদিবাড়ি যেহেতু কৃষি প্রধান এলাকা, তাই ওই মার্কেটে প্রচুর কৃষক ফসল বিক্রি করতে আসেন। যদি সভা হয় তাহলে কৃষকদের অসুবিধা হবে। সেই কথা মাথায় রেখে সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সহ সভাপতি জ্যোতি বিকাশ রায় বলেন, “আমরা সভা করব বলে অনুমতি চেয়েছি। সভা হবেই। ক্ষমতা থাকলে পুলিশ আমাদের সভা আটকে দেখাক।” প্রসঙ্গত, এর আগেও মেখলিগঞ্জ বিধানসভার চ্যাংরাবান্ধায় শুভেন্দু অধিকারীর পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা ছিল। ওই সভার অনুমতি না দেওয়ায় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ থেকে অনুমতি নিয়ে সভা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।