
ঝাড়গ্রাম: স্কুলের মধ্যেই শিক্ষকের লালসার শিকার ছাত্রীরা। যোগাসনের নামে ‘ব্যাড টাচ’ বা অস্বস্তিকরভাবে স্পর্শ করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। চরম হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি পড়ুয়াদের। তাদের দাবি, যোগ ব্যায়ামের ক্লাসে ছাত্রীদের শরীরে ইচ্ছাকৃত আপত্তিজনকভাবে স্পর্শ করতেন ক্রীড়া শিক্ষক। ঝাড়গ্রামের (Jhargram) বেলিয়াবেড়া থানা এলাকার একটি হাইস্কুলের ঘটনা।
বেশ কিছুদিন ধরেই স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্রীদের যোগব্যায়াম শেখানোর নাম করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ওই শিক্ষক স্পর্শ করার চেষ্টা করতেন বলে অভিযোগ। অভিভাবকরা জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রীরা ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিষয়টি বাড়িতে মা-বাবার কাছে খুলে বলতে শুরু করে তারা। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা।
প্রথমে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নালিশ জানানো হয়। কিন্তু অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এক ছাত্রীর মা বেলিয়াবেড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। খবর পেয়ে দ্রুত স্কুলে পৌঁছয় পুলিশ। সেখান থেকে অভিযুক্ত ক্রীড়া শিক্ষককে আটক করা হয়। পরে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষককে ঝাড়গ্রাম আদালতে পেশ করা হয়েছে।
এছাড়া, ঝাড়গ্রামের জামবনীতে অন্য একটি ঘটনায় উঠেছে মারাত্মক অভিযোগ। রোগ সারানো ও সমস্যা সমাধানের নামে ঝাড়ফুঁক করতে গিয়ে এক মহিলার শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ ওঠে এক স্বঘোষিত ‘ওঝার’র বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ওই ওঝা মহিলার সম্ভ্রমহানি করার চেষ্টা করে। ঘটনার পরই থানায় লিখিত অভিযোগ জানান নির্যাতিতা। অভিযোগ পাওয়ামাত্রই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওঝাকে গ্রেফতার করেছে জামবনী থানার পুলিশ।