
মালদহ: বুধবার হোলির রাতে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটল মালদহের মানিকচক থানার মথুরাপুর কাহার পাড়ায়। সামান্য বচসাকে কেন্দ্র করে চলল গুলি। গুলিতে জখম হল এক নাবালক-সহ চারজন। পাল্টা উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে মৃত্যু হল গুলি চালনার সঙ্গে যুক্ত কিশোরের বাবার। বুধবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় মথুরাপুর কাহার পাড়ায়।
জানা গিয়েছে, এদিন ওই এলাকার অল্প বয়সী ছেলেদের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে বচসা বাধে। সেই বচসার জেরে সমীর গুপ্ত নামে এলাকার এক রেশন ডিলারের ১৭ বছরের ছেলে তার বাবার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক নিয়ে আসে। গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই গুলিতে ১০ বছরের এক নাবালক-সহ মোট চারজন গ্রামবাসী জখম হন। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতা সমীর গুপ্তের বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং সমীর গুপ্তকে গণপিটুনি দেয় বলে অভিযোগ। একাধিক ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, উত্তেজিত জনতা সমীর গুপ্ত বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছে। কেউ কেউ জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন। তারপর দেখা যায়, দরজার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন সমীর গুপ্ত। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে মানিকচক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করে বলে জানা গিয়েছে।
গতকাল রাতে এক ব্যক্তিকে তরোয়াল দিয়ে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। সেখানে রাস্তার পাশে এক নাবালক ফুলঝুরি জ্বালানোর সময় ফুলকি পড়েছিল নাবালিকার গায়ে। তাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ বাধে। লাঠি, বাঁশ, লোহার রড নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। তখনই তরোয়াল দিয়ে কুপিয়ে এক ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগ ওঠে।