
মালদহ: কালিয়াচকের ঘটনায় সব পক্ষই ষড়যন্ত্রের কথা বলছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি কয়েকটা গদ্দারকে টাকা দিয়ে উত্তেজিত করেছে। নাম না করে কাঠগড়ায় তুলেছেন এআইএমআইএম ও হুমায়ুন কবীরের দলকেও। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, পরিকল্পিতভাবে পুরো ঘটনা ঘটনো হয়েছে, এটা কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। তবে এনআইএ সূত্রের খবর, দিনের পর দিন মগজধোলাই করা হয়েছিল ওই এলাকায়।
মূলত এসআইআরে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলেই বিক্ষোভ দেখানো হয় মালদহের কালিয়াচকে। আর সেই বিক্ষোভের জেরেই বন্দি হয়ে থাকতে হয়েছিল সাত বিচারককে। ঘটনার দিনের যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বিপুল জমায়েত রয়েছে বিডিও অফিসের সামনে। হঠাৎ করে কোথা থেকে এত লোক জড় হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এনআইএ তদন্তে উঠে এসেছে, মোথাবাড়ি ও সুজাপুরের মতো এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মূলচক্রীরা বোঝাচ্ছিল, নাম বাদ গেলে বাংলাদেশ বা অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এভাবেই ক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে। তারই ফলস্বরূপ বুধবার এই বিপুল জমায়েত হয় বলে সূত্রের খবর।
সাত বিচারক ও অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলেছে এনআইএ-র অফিসাররা। ১৫ জনের একটি টিম পুরো এলাকা ঘুরে দেখছেন। আগামী ৬ এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্টে কালিয়াচকের পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করবে এনআইএ। তারপর স্থির করা হবে যে তাদের হাতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরভার দেওয়া হবে কি না।