
মালদহ: কালিয়াচককাণ্ডে মূল অভিযুক্ত হিসাবে CID গ্রেফতার করেছিল মোফাক্কেরুল ইসলামকে। এবার তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে এন আই এ। যদিও মোফাক্কেরুল ইসলামের আইনজীবীদের দাবি, NIA-এর তরফে হেফাজতে নেওয়ার পুট আপ এখনও তাঁরা পান নি। তবে প্রস্তুতি নিচ্ছে NIA। ইতিমধ্যেই পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেই একমাত্র TV9 বাংলার ক্যামেরার সামনে মোফাক্কেরুল ইসলাম জানিয়েছেন, NIA-এর তদন্তে তিনি সার্বিক সহযোগিতা করবেন।
পাশাপাশি এই ঘটনায় সাবিনা ইয়াসমিন যুক্ত আছেন কিনা, সেই বিষয়ে এখনই কিছু বলতে পারবেন না বলেই জানান মোফাক্কেরুল ইসলাম। যদিও তাঁরই দলের নেতা তথা মিম প্রার্থী রেজাউল করিম দাবি করেছেন, এই গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড সাবিনা ইয়াসমিন। রেজাউল বলেন, “মাস্টারমাইন্ড কে, সেটা মালদহ কেন, গোটা বাংলার মানুষ জানেন। আমি যদি মুখে বলতে নাও চাই, মানুষ বুঝতে পারছে। যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি মাস্টারমাইন্ড নয়। সাবিনা ইয়াসমিন মাস্টারমাইন্ড। তাঁকেই গ্রেফতার করা উচিত।” এদিকে আদালতে মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে ওঠা একটি মামলায় জেল হেফাজত হলেও অন্য মামলায় তাঁর যেহেতু পুলিশ হেফাজত আছে সেকারণেই তাঁকে এখনো পুলিশ হেফাজতেই থাকতে হচ্ছে।
মোফাক্কেরুল ইসলামের পাশাপাশি রয়েছে মোথাবাড়ি বিধানসভার আইএসএফ প্রার্থী শাহজাহান আলি কাদরী। এখনও পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধে জাতীয় সড়ক অবরোধ, প্ররোচিত করা, রাস্তায় আগুন লাগানো, ভাঙচুর ইত্যাদি মামলা দেওয়া হয়েছে। NIA নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে খবর রয়েছে। অন্যদিকে মোফাক্কেরুল ইসলামের আইনজীবীরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছেন। মাস্টার মাইন্ড বানিয়ে মোফাক্কেরুল ইসলামকে চক্রান্ত করে ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থে তাঁকে ফাঁসিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বলেই অভিযোগ আইনজীবীদের।