
মালদহ: মুখ্যমন্ত্রীর মাথার ওপরে ড্রোন উড়িয়ে বিতর্ক তৈরি করা সেই প্রার্থীর এবার আরও এক বিতর্ক। স্কুলের ইউনিফর্ম পড়ে খুদে স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে তৃণমূলের ভোটের র্যালী। কারও কারও হাতে তৃণমূলের পতাকা। স্কুলে ক্লাস চলার সময়ে স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের স্কুল থেকে ডেকে নিয়ে প্রচারে সামিল করার অভিযোগ মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মহেন্দ্রপুরে।
অভিযোগ, পড়ুয়াদের দামি গাড়িতে চড়ানোর লোভ, মিষ্টি, চকোলেট খাওয়ানোর লোভ দেখানো হয়েছে। আর সেই লোভ দেখিয়েই স্কুল পড়ুয়াদের স্কুল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের নিয়ে র্যালি করে ভোট চাইতে ঘরে ঘরে যান হরিশ্চন্দ্রপুরের প্রার্থী মতিবুর রহমান। সেই ছবি TV9 বাংলার ক্যামেরায়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে ভিডিয়ো ক্লিপিংস-সহ নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি।
গোটা বিষয়ে ক্ষুব্ধ স্কুলের শিক্ষকরাও। মতিবুরের দাবি, তিনি নাকি ভালোবেসে স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে গিয়েছিলেন, তিনি আবার এটাও স্বীকার করে নেন যে তিনি তাঁদের গাড়িতে করে ঘুরিয়ে দেন। অন্যদিকে, এই পরিস্থিতিতে চরম অস্বস্তিতে মালদহ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।
উল্লেখ্য, এই মতিবুর রহমানই বিহারের কাটিহার থেকে দুজনকে মুখ্যমন্ত্রীর ভিডিয়ো করতে নিয়ে আসেন। যাঁদের ড্রোন ওড়ানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল প্রার্থী মতিবুর রহমানের বক্তব্য, “আমি গাড়ি নিয়ে আসছিলাম। সে সময় বাচ্চাগুলো যাচ্ছিল, বললে দাদা তোমার গাড়িতে উঠব। ওদের শখপূরণ করলাম। আমাকে বাচ্চাগুলো খুবই ভালবাসে।”
মালদহের বিজেপি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূলের পক্ষে এটা অবাস্তব নয়। যাঁরা রাজনীতির আঙিনায় থাকে, সেই সমস্ত লোকদের নিয়ে তৃণমূল রাজনীতি করে না। লোক পাচ্ছে না। ফলে স্কুল থেকে বাচ্চাদের ডেকে তাদের হাতে পতাকা দিয়ে লজেন্স খাইয়ে প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে।”