Malda: তারস্বরে হোম থিয়েটার চালিয়ে যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

TMC worker arrested: যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, "আমি ওকে ধর্ষণের চেষ্টা করিনি। আমাদের বাড়িতে জায়গার দলিল নিতে এসেছিল। আমি বললাম, দলিল নিয়ে চলে যা। আমার বিরুদ্ধে কেন অভিযোগ, সেটাই বুঝতে পারছি না। অন্যায় করলে তো পালিয়ে যেতাম।"

Malda: তারস্বরে হোম থিয়েটার চালিয়ে যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী
কী বলছে যুবতীর পরিবার?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

May 19, 2026 | 5:41 PM

মালদহ: বাড়িতে ডেকে যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ। যুবতীর আর্ত চিৎকার যাতে ঘরের বাইরে না যায়, সেজন্য তারস্বরে হোম থিয়েটার চালিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ গ্রেফতার করেছে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীকে। ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় ওল্ড মালদহে। যদি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃত তৃণমূল কর্মী। অন্যদিকে, ধৃতের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে যুবতীর পরিবার।

যুবতীর পরিবারের বক্তব্য, জমির নথি দেওয়ার নাম করে ওই তৃণমূল কর্মী নিজের বাড়িতে ডাকেন যুবতীকে। জমির দলিল খুঁজে দেওয়ার নামে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। সেই সময় যুবতীর আর্ত চিৎকার যাতে বাইরে না যায়, সেজন্য চালানো হয় হোম থিয়েটার। কোনওরকমে অভিযুক্তের কবল থেকে নিজেকে মুক্ত করে বাড়িতে ফিরে যুবতী পুরো ঘটনা জানান পরিবারের সদস্যদের। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।

ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারাই অভিযুক্ত ওই তৃণমূল কর্মীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মালদহ থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তৃণমূল করার সুবাদেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের সঙ্গে ধৃতের যোগাযোগ ছিল। বাড়ির জমির বিষয়ে কিছু সমস্যার জন্যেই ওই যুবতীর পরিবার ওই তৃণমূল কর্মীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন বেশ কিছু মাস আগেই। এদিন দুপুরে যখন বাড়িতে যুবতী একলা ছিলেন তখনই সুযোগ বুঝে দলিল দেওয়ার অজুহাতে তাঁকে ফোন করে ডাকেন ওই যুবক।

কী বলছেন ধৃত তৃণমূল কর্মী?

যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, “আমি ওকে ধর্ষণের চেষ্টা করিনি। আমাদের বাড়িতে জায়গার দলিল নিতে এসেছিল। আমি বললাম, দলিল নিয়ে চলে যা। আমার বিরুদ্ধে কেন অভিযোগ, সেটাই বুঝতে পারছি না। অন্যায় করলে তো পালিয়ে যেতাম।”

কী বলছে যুবতীর পরিবার?

নির্যাতিতার জামাইবাবু বলেন, “আমাদের বাড়িতে তখন শ্যালিকা একাই ছিল। আগেই ছেলেটি খোঁজ নিয়েছিল, আর কেউ রয়েছে কি না। নেই দেখে, অজুহাত দেখিয়ে ফোন করে ডাকে। কাগজপত্রের একটা ব্যাপার ছিল। যে কাগজপত্রটা দরকার ছিল, সেটা আগে থেকে সরিয়ে রেখেছিল। তারপর নিজেই খুঁজে কাগজটা বের করে। শ্যালিকা যখন বেরিয়ে আসতে চায়, তখন জোর জবরদস্তি শুরু করে। শ্যালিকা চিৎকার করতেই তারস্বরে হোম থিয়েটার চালায়। তারপরও চিৎকার করায় হাঁসুয়া দেখিয়ে বলে, খুন করে দেব। কোনওরকমে শ্যালিকা সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। আমরা অভিযুক্তের ফাঁসি কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চাইছি।” ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Follow Us