AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Malda voter slip: ভোটগ্রহণের পরদিন ভোটার স্লিপ পেলেন যুবতী, কী হচ্ছে মালদহে?

West Bengal assembly election 2026: বিএলও-র গাফিলতিতেই তিনি ভোট দিতে পারলেন না বলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হুশনারা। এদিন তিনি বলেন, "আমার নাম বিবেচনাধীনে ছিল। আমি ২-৩ বার বিএলও-র কাছে গিয়েছি। আমার মা-ও গিয়েছে। আমার মা বিএলও-কে বলেছিল, আমার মেয়ের ভোটার স্লিপ দাও। তখন বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আমি গিয়ে বললাম, অনলাইনে দেখেছি, আমার নাম রয়েছে। তখনও বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আর আজকে সকালে বাবাকে স্লিপ দিচ্ছে।"

Malda voter slip: ভোটগ্রহণের পরদিন ভোটার স্লিপ পেলেন যুবতী, কী হচ্ছে মালদহে?
BLO আক্তার হোসেন (বাঁদিকে), হুশারা বেগম (ডানদিকে) Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 24, 2026 | 5:30 PM
Share

মালদহ: এসআইআর ঘিরে চাপানউতোর। তারপর ভোটের জন্য বুথে বুথে লম্বা লাইন। প্রথম দফায় রাজ্যে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশের বেশি। সেখানে শুধু ভোটার স্লিপ না পেয়ে ভোট দিতে পারলেন না এক যুবতী। ভোটের পরদিন পেলেন ভোটার স্লিপ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল মালদহের চাঁচলে। বিএলও-কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভের মুখে নিজের ভুলের কথা স্বীকার করলেন বিএলও। 

গতকাল ভোটার স্লিপ না পাওয়ায় ভোট দিতে পারেননি চাঁচল থানার সিহিপুর গ্রামের হুশনারা বেগম। প্রথমবার ভোট দিতেন। এদিন সিহিপুর গ্রামের ২২৩ নম্বর বুথের বিএলও আক্তার হোসেন হুশনারার বাবাকে ভোটার স্লিপ দেন। তারপরই বিএলও-কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিএলও-কে ধাক্কা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

কী বলছেন যুবতী?

বিএলও-র গাফিলতিতেই তিনি ভোট দিতে পারলেন না বলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হুশনারা। এদিন তিনি বলেন, “আমার নাম বিবেচনাধীনে ছিল। আমি ২-৩ বার বিএলও-র কাছে গিয়েছি। আমার মা-ও গিয়েছে। আমার মা বিএলও-কে বলেছিল, আমার মেয়ের ভোটার স্লিপ দাও। তখন বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আমি গিয়ে বললাম, অনলাইনে দেখেছি, আমার নাম রয়েছে। তখনও বিএলও বলেন, নাম ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আর আজকে সকালে বাবাকে স্লিপ দিচ্ছে। আমি ভোট দিতে পারিনি। স্লিপ দিলে আমি ভোট দিতে পারতাম। এবার আমি প্রথমবার ভোট দিতাম। আমি এখন ভোট দিতে চাইছি। আমি চাই, বিএলও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

ক্ষোভের মুখে বিএলও যুক্তি দেন, দুই ব্যক্তিকে একই ভেবে এই ভুল হয়েছে। বিএলও আক্তার হোসেন বলেন, “হাসেন আলি নামে একজন আমায় ফোন করে জানান, তিনি অসুস্থ। কলকাতায় রয়েছেন। ভোট দিতে পারবেন না। সেই হাসেন আলির মেয়ে হুশনারা ভেবেছিলাম।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার বাড়িতে কেউ আসেননি। আমি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত স্লিপটি আমার বাড়িতে ছিল। আমি চিনতে পারলে অবশ্যই স্লিপটা দিতাম। স্লিপটা দিলে উনি ভোটটা দিতে পারতেন। এর জন্য আমি দুঃখিত।”

Follow Us