
মুর্শিদাবাদ: ভোটে হারের ৩০ দিনের মধ্যেই ভেঙে খান খান তৃণমূল কংগ্রেস। বিদ্রোহী ৫৮ বিধায়কদের নিয়ে জ্বলেপুড়ে খাক মমতা-অভিষেকের শিবির। তৃণমূল ভাগ হতেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সব কমিটি। তা নিয়ে যখন তোলাপাড় চলছে তখন এবার নিচুতলার তৃণমূল কর্মীদের কংগ্রেসে আসার আহ্বান জানালেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর সাফ কথা, “সাধারণ যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী রয়েছেন, ভোট করেছেন, মার খেয়েছেন, এখনও তৃণমূলকে ভালোবাসেন তাঁদের বলছি আপনাদের জন্য কংগ্রেসের দরজা খোলা রয়েছে।”
এখানেই না থেমে অধীর আরও বলেন, “আপনারা আসুন, আলোচনা করে আমরা আগামী দিনে বিজেপি এবং তথাকথিক তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমরা একজোট হয়ে লড়াই করার প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলব। বাংলায় বাকি বিরোধী দলেরা একজোটে একটা প্ল্য়াটফর্ম তৈরি করে এর মোকাবিলা করা জরুরি। নাহলে এই বাংলায় রাজনীতি বলে আর কিছু থাকবে না।”
ইতিমধ্যেই তৃণমূলের ৮০ জনের মধ্যে ৫৮ জন বিধায়কই বিদ্রোহ করে বসে আছেন। শোভনদেব নয়, একেবারে নাটকীয়ভাবে বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন ঋতব্রত। তা নিয়েই এখন তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। আগামীতে তৃণমূলের প্রতীকও তৃণমূলের হাতছাড়া হয় কিনা তা নিয়ে চর্চা চলছে। অন্যদিকে তৃণমূল দু’ভাগ হতেই সব সংগাঠনিক পদের অবলুপ্তি হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ থেকে ট্রেড ইউনিয়ন, তৃণমূল যুব কংগ্রেস, মহিলা কংগ্রেসের মতো যত ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন ছিল সেখানে আর কারও কোনওপদ থাকছে না।