
মুর্শিদাবাদ: ভোট মিটতেই কেঁদে ভাসিয়েছিলেন তিনি। সরতে চেয়েছিলেন রাজনীতি থেকেও। তবে কি তিনি কিছু আঁচ করতে পেরেছিলেন। চতুর্থ রাউন্ড শেষে রেজিনগর উপনির্বাচনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি পেয়েছে ১২ হাজার ৭০৭। শাসকদল পেয়েছে ৩৫ হাজার ৮৯৬। আর এই ট্রেন্ড দেখেই হুমায়ুন কবীর বললেন, তিনি নাকি দুবাই চলে যাবেন। পরের পরিকল্পনা কী, সেটা বলতে গিয়েই হুমায়ুন বললেন, “‘ভারত ছেড়ে দুবাই চলে যাব। এখন আমার কাজ বাবরি মসজিদটা করা আর অধীর চৌধুরীকে ভোটে হারানো।”
ভোট লুঠের অভিযোগ নির্বাচনের দিনই তুলেছিলেন হুমায়ুন। ৬ তারিখ একেবারে সকাল থেকে লাইমলাইটে ছিলেন তিনি। পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে আটকও হন। এবার রেজাল্টের দিনও সেই একই অভিযোগ করলেন তিনি। যেভাবে ভোটের দিন তিনি ময়দানে ছিলেন, ফলাফলের দিন তাঁকে সেভাবে গণনাকেন্দ্রের আশপাশে দেখা গেল না। প্রশ্ন করতেই বললেন, ” পুলিশ ভোট লুঠ করে বেরাচ্ছে, কোন ভরসায় গণনাকেন্দ্রে যাব? আমাকে ভয় পেয়ে খাঁচায় পুরে রেখেছিল।”
একদা কংগ্রেস নেতা। তারপর তৃণমূল। মাঝে বিজেপি ঘুরে আবার তৃণমূল। সেই তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল গড়ে বিধায়ক হওয়া। রাজনীতি থেকে বাবরি মসজিদ- হুমায়ুনের বর্ণময় রাজনৈতিক জীবনে কি এবার সত্যিই ছেদ পড়তে চলেছে? উপনির্বাচনের দিন থেকেই তাঁকে যেন রাজনৈতিক আত্মসমর্পণ করতে বারবার দেখা গিয়েছে। কখনও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, কখনও বিধানসভাতেই যাবেন না, কখনও বলছেন বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবেন, আবার কখনও বলছেন রাজনীতিই ছেড়ে দেবেন। এবার বলছেন দুবাই যাবেন! তিনি কি সত্যিই যাচ্ছে দুবাই? তা সময় বলবে।