মুর্শিদাবাদ: বাংলার প্রশাসনিক প্রধান তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর তাঁকেই কি না এভাবে আক্রমণ? এখানে ‘আক্রমণ’ শব্দটাও অত্যন্ত লঘু। কারণ, রীতিমতো ঘৃণ্য রাজনীতির নির্লজ্জ নজির গড়লেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যুকামনা করলেন তিনি। রাজনীতিতে না পেরেই কি এমনভাবে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীকে?
হুমায়ুন এ দিন সাংবাদিকদের সামনে কদর্য ভাষায় বলেন, “আমাদের অসম্মান করলে ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে। আমি চাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। শুক্রবারে নমাজ পড়ব, বলব, এ যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়, উপরওয়ালা যেন ওকে ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়। ছত্তিশগঢ়ের একজন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারের কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? ইন্দিরা গান্ধী-রাজীব গান্ধীকে কীভাবে যেতে হয়েছে? এর এত অহংকার? অহংকারের পতন হবে। ওইভাবে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।”
ঠিক এই কদর্য ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন হুমায়ুন। রাজনীতি মতাদর্শ বিভিন্ন হতে পারে। ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকের স্বাধীনতা রয়েছে নিজের নিজের মতো করে পছন্দের রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা। কিন্তু তা বলে এই ধরনের নিম্ন রুচির আক্রমণ, তাও আবার মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে? এমনটা করা যায় কি না প্রশ্ন তুলেছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “বাংলার রাজনীতিতে সৌজন্যতা এখন নিম্নমানে চলে গিয়েছে। এত নির্লজ্জভাবে কেউ এমন বলতে পারে, ভাবতেই পারিনি। হতে পারে উনি শুভেন্দু অধিকারীকে পছন্দ করেন না, ওঁর নীতি অপছন্দ হতে পারে। কিন্তু কারও মৃত্যুকামনা করা যায়? তীব্র নিন্দা করছি। শুভেন্দু অধিকারী কারও দয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হননি, জনগণ মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। আমি ওঁকে বলছি, হুমায়ুুন কবীর সাহেব- শকুনের অভিশাপে গরু মরে না।”
মুর্শিদাবাদ: বাংলার প্রশাসনিক প্রধান তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর তাঁকেই কি না এভাবে আক্রমণ? এখানে ‘আক্রমণ’ শব্দটাও অত্যন্ত লঘু। কারণ, রীতিমতো ঘৃণ্য রাজনীতির নির্লজ্জ নজির গড়লেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যুকামনা করলেন তিনি। রাজনীতিতে না পেরেই কি এমনভাবে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীকে?
হুমায়ুন এ দিন সাংবাদিকদের সামনে কদর্য ভাষায় বলেন, “আমাদের অসম্মান করলে ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে। আমি চাই মুখ্যমন্ত্রী থেকে উনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। শুক্রবারে নমাজ পড়ব, বলব, এ যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়, উপরওয়ালা যেন ওকে ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেয়। ছত্তিশগঢ়ের একজন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ারের কীভাবে মৃত্যু হয়েছে? ইন্দিরা গান্ধী-রাজীব গান্ধীকে কীভাবে যেতে হয়েছে? এর এত অহংকার? অহংকারের পতন হবে। ওইভাবে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।”
ঠিক এই কদর্য ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন হুমায়ুন। রাজনীতি মতাদর্শ বিভিন্ন হতে পারে। ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকের স্বাধীনতা রয়েছে নিজের নিজের মতো করে পছন্দের রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা। কিন্তু তা বলে এই ধরনের নিম্ন রুচির আক্রমণ, তাও আবার মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে? এমনটা করা যায় কি না প্রশ্ন তুলেছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “বাংলার রাজনীতিতে সৌজন্যতা এখন নিম্নমানে চলে গিয়েছে। এত নির্লজ্জভাবে কেউ এমন বলতে পারে, ভাবতেই পারিনি। হতে পারে উনি শুভেন্দু অধিকারীকে পছন্দ করেন না, ওঁর নীতি অপছন্দ হতে পারে। কিন্তু কারও মৃত্যুকামনা করা যায়? তীব্র নিন্দা করছি। শুভেন্দু অধিকারী কারও দয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হননি, জনগণ মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। আমি ওঁকে বলছি, হুমায়ুুন কবীর সাহেব- শকুনের অভিশাপে গরু মরে না।”