
মুর্শিদাবাদ: শূন্য ভোট পেলেন মমতা তৃণমূলের প্রার্থী, দীর্ঘদিনের বিধায়ক দায়িত্ব সামলে আসা রবিউল আলন চৌধুরী। রেজিনগর উপনির্বাচনে ৩ রাউন্ডের শিটে রবিউল আলম চৌধুরীর একটি নির্দিষ্ট পোলিং স্টেশনে একটিও ভোট পাননি। কমিশনের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, ৪ নম্বর কলমের ৬ নম্বর লাইন উল্লেখ্যযোগ্য। ২০ নম্বর পোলিং স্টেশন অর্থাৎ বুথে ‘০’ ভোট পেয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী।
৩ রাউন্ড শেষে দেখা যাচ্ছে, মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রবিউল পেয়েছেন ৫৩৩টি । গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখ পেয়েছেন ১৯৫টি ভোট। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী গোলাম নবি আজাদ পেয়েছেন ৪২৪৪টি ভোট। কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুল্লাহিল কাফি পেয়েছেন ৪১৪টি ভোট। সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সৈয়দ পেয়েছন ১৭৫টি ভোট । বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার পেয়েছেন ৭৯৫১টি ভোট ।
রবিউল আলম চৌধুরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী। ২০১৩ সাল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাব্বিশের উপনির্বাচনে তাঁকেই টিকিট দিয়েছিলেন মমতা। তার মাঝে অবশ্য অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তিনি একবার ব্যক্তিগত কারণ ও নতুন প্রতীক নিয়ে সমস্যার কথা বলে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন এবং লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা দেন। ভোটের দিন তিনি সকালে ভোটদান করলেও সারাদিন প্রচারে বা প্রকাশ্যে না থাকার কারণে আলোচনায় আসেন। ভোটগ্রহণ শেষে তিনি রিটার্নিং অফিসারের কাছে চিঠি দিয়ে রেজিনগর কেন্দ্রে ভোট লুট ও কারচুপির অভিযোগও তুলেছিলেন। সমস্ত বুথের ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন তিনি।