
মুর্শিদাবাদ: ভোটের ডিউটিতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান। গুলিবিদ্ধ হলেন তিনি। জানা যাচ্ছে, তাঁর বাঁ দিকের কাঁধে গুলি লেগেছে। মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরের একটি স্কুলে এই নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কী ভাবে গুলি লাগল ওই জওয়ানের? কেনই বা লাগল?
বাংলায় ভোটের কাজের জন্য আগেই এসেছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়-জেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁরা। ভোট যত এগিয়ে আসছে তত রুটমার্চ করছেন প্রতিদিন। আশ্বস্ত করছেন ভোটারদের যাতে ভোট দিতে কোনও রকম অসুবিধা না হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মুর্শিদাবাদে জওয়ানের গুলি লাগার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। জানা যাচ্ছে, আহত ওই জওয়ান মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর থানা এলাকায় ভোটের ডিউটি পড়েছিল তাঁর। সেই সময় অসাবধানবসত একটি গুলি কাঁধে লাগে তাঁর। তড়িঘড়ি সেই সময় তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করেন। এরপর পাঠানো হয় হাসপাতালে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ মার্চ ২০২৬-এ দার্জিলিংয়ের ডালি পুলিশ লাইনে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। সেখানে কর্মরত সাব-ইনস্পেক্টর বিনোদ তামাং গুলিবিদ্ধ হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সহকর্মী সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর উমেশ ছেত্রীর সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলিটি চলেছিল। এটি কোনও বচসার জেরে নাকি ভুলবশত তা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের গোবিন্দপুর বিওপিতে (BOP) টহল দেওয়ার সময় এক বিএসএফ জওয়ান, রাহুল সিং (২৪), নিজের রাইফেল থেকে ভুলবশত গুলি চলে যাওয়ায় গুরুতর আহত হন। গুলিটি তাঁর কোমরের নিচের অংশ দিয়ে ঢুকে পেটের একপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে বালুরঘাট হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ারলিফট করা হয়।