
মুর্শিদাবাদ : বেলডাঙায় ফের ট্রেনে হামলা দুষ্কৃতীদের। কলকাতা-লালগোলা ধনধান্য এক্সপ্রেসকে লক্ষ্য করে পরপর পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। বেলডাঙা স্টেশনে ঢোকার মুখেই হামলা চালানো হয় বলে খবর। ঘটনার তদন্তে নেমেছে বেলডাঙা থানার পুলিশ। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, এখনও এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করেনি। কে বা কারা হামলা চালালো তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে বহরমপুরের দিকে যাচ্ছিল ট্রেনটি। রবিবার রাতে যখন ট্রেনটি লালগোলার উদ্দেশে আসছিল, সেই সময় বেলডাঙা স্টেশনে ঢোকার মুখে আচমকা পাথর ছোড়া হয়। সেকেন্ড ক্লাস কামরায় পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে। ভোটের মুখে এই ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
ট্রেনের যাত্রীরা জানিয়েছেন, জানলার পাশে বসেছিলাম। হঠাৎ করে আমার পাশ দিয়ে একটা পাথর বেরিয়ে গেল। প্রথমে কী ছিল বুঝতে পারিনিষ পরে দেখা গেল পাথর পড়ে রয়েছে। হকাররা তখন জানায়, এরকম বেলঘাটায় প্রায়ই পাথর ছোড়া হয়। আবার আরেক যাত্রী বলেন, “বেলডাঙায় যখন ঢুকছিল সেইসময় ডানদিক থেকে পাথর ছোড়া হয়।”
পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে, কারও আহত হওয়ার খবর মেলেনি।
ট্রেনে পাথর ছোড়া রুখতে আগেই কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছিল রেল। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৮৯ আইন অনুযায়ী ট্রেনে পাথর ছোড়া গুরুতর অপরাধ। ১৫২ ধারা অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি ষতি করার উদ্দেশ্যে ট্রেনে পাথর বা অন্য কোনও বস্তু ছোড়ে তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হবে কিংবা দশ বছরেরও শাস্তি হতে পারে। এছাড়া, কোনও উদ্দেশ্য ছাড়াই যদি পাথর ছোড়া হয়, এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।