Krishnanagar Hostel Death Case: কৃষ্ণনগরে ছাত্রীর নিথর দেহ উদ্ধারে আটক ২ ছাত্রী, হস্টেল ছাড়ছে পড়ুয়ারা
Two Students Detained in Krishnanagar School Hostel Case: হস্টেলে থাকা অন্য ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কে ভুগছেন অভিভাবকরা। হস্টেলের অন্য ছাত্রীদের মায়েরাও ঘটনার খবর পেয়ে স্কুলে এসে ভিড় জমান। এই ঘটনার পর কোনও অভিভাবকই আর তাঁদের সন্তানদের এই হস্টেলে রাখতে ভরসা পাচ্ছেন না। এবং তাঁরা প্রত্যেকেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন।

কৃষ্ণনগর: নৃশংস। নদিয়ার কৃষ্ণনগরে স্কুলের হস্টেলের শৌচাগার থেকে প্রথম শ্রেণির ছাত্রীর নিথর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল। নাবালিকার মৃত্যুতে আটক করা হয়েছে স্কুলেরই দুই ছাত্রীকে। এদিকে, ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে অন্যান্য পড়ুয়া এবং অভিভাবকরা। হস্টেল থেকে নিজেদের সন্তানকে নিয়ে যাচ্ছেন অভিভাবকেরা। আপাতত বন্ধ হস্টেল। ছাত্রীর মৃত্যুতে নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেনসিক দলের প্রতিনিধিরা।
কৃষ্ণনগরের ওই স্কুলের হস্টেলের বাথরুমে প্রথম শ্রেণির ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই ওই হস্টেলেরই নবম ও দশম শ্রেণির দু’জন ছাত্রীকে আটক করেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ছাত্রীরা নিজেদের দোষ স্বীকার করেছে। বর্তমানে তাদের হোমে রাখা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া জারি রয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নির্মম ঘটনা ঘটানো হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ও ফরেনসিক দল ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে।
কী বলছেন মৃত ছাত্রীর বাবা?
মৃত ছাত্রীর বাবা অনিমেষ কুমার সাহা জানান, সকালে তিনি স্কুলের ভেতরে গিয়েছিলেন এবং সেখানে উপস্থিত পুলিশকর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারেন যে দু’জন ছাত্রীকে এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মৃত নাবালিকার মা বর্তমানে বাইরে রয়েছেন এবং তিনি ফিরে আসার পরই থানায় এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এখনই স্কুলের ভেতরে বা ফরেনসিক টিমের কাছে কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
অন্যদিকে, এই ঘটনার পর হস্টেলে থাকা অন্য ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কে ভুগছেন অভিভাবকরা। হস্টেলের অন্য ছাত্রীদের মায়েরাও ঘটনার খবর পেয়ে স্কুলে এসে ভিড় জমান। এই ঘটনার পর কোনও অভিভাবকই আর তাঁদের সন্তানদের এই হস্টেলে রাখতে ভরসা পাচ্ছেন না। এবং তাঁরা প্রত্যেকেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। স্কুলের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত স্কুলের হস্টেলটি বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে স্কুলে ক্লাস হবে। হস্টেলের পড়ুয়ারা বাড়ি থেকে পড়াশোনা করবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত।
